📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে অবরোধ ও প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞায় পূজার ছুটি বাতিল, ব্যবসায়ীরা লোকসান ভোগ করছে

সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে অবরোধ ও প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞায় পূজার ছুটি বাতিল, ব্যবসায়ীরা লোকসান ভোগ করছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাঙামাটির সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের সড়ক অবরোধ ও প্রশাসনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় দুর্গাপূজার ছুটি বাতিল হয়ে গেছে। ফলে রিসোর্ট ও কটেজের শতভাগ বুকিং বাতিলের কারণে ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসান ভোগ করছেন

রাঙামাটির সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের সড়ক অবরোধ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় দুর্গাপূজার ছুটি বাতিল হয়ে গেছে। ফলে পর্যটন মৌসুমে রিসোর্ট ও কটেজের শতভাগ বুকিং বাতিলের কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসান ভোগ করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত সাজেকের অধিকাংশ রিসোর্ট ও কটেজে শতভাগ বুকিং থাকলেও প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের কারণে পর্যটকরা বুকিং বাতিল করছেন।
  • 📌 সাজেক জুমঘর রিসোর্টের ব্যবস্থাপক লিগা রায় বলেছেন, ‘প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পর সাজেক এখন পর্যটকশূন্য। পূজার ছুটিতে আমাদের রিসোর্টের সব রুম বুকিং ছিল, কিন্তু এখন সবাই বুকিং বাতিল করছেন। ব্যবসার মূল মৌসুমে আমাদের বিপুল লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।’
  • 📌 সাজেক খোয়াল বুক রিসোর্টের ব্যবস্থাপক সমিরন চাকমা জানান, তাঁদেরও পুরো রিসোর্ট বুকিং ছিল। নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটকেরা বুকিং বাতিল করছেন। এতে তাঁদের রিসোর্ট থেকেই প্রায় পাঁচ লাখ টাকার বুকিং ফি ফেরত দিতে হচ্ছে।
  • 📌 সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য সুপর্ণ দেব বর্মণ বলেছেন, সাজেকের পর্যটনের সঙ্গে অনেক মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণে সাধারণ মানুষ জীবিকা নিয়ে সংকটে পড়েছেন।
  • 📌 জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেছেন, সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই দ্রুত পর্যটনকেন্দ্রটি খুলে দেওয়া হবে।
  • 📌 সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ঘোষণা দিয়েছে, ১১ অক্টোবর সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ করা হয়েছিল। তবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলে অবরোধ স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও দাবি পূরণ হয়নি।
  • 📌 ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র খোলার দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন হয়। বক্তারা বলেন, পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় হোটেল, রিসোর্ট, পরিবহন, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

📰 বিস্তারিত

রাঙামাটির সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে দুর্গাপূজার ছুটি ঘিরে নতুন করে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে দুটি আঞ্চলিক সংগঠন। এতে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। আগামী শুক্রবার থেকে চলতি ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত সাজেকের অধিকাংশ রিসোর্ট ও কটেজে শতভাগ বুকিং ছিল। তবে প্রশাসনের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের কারণে পর্যটকেরা বুকিং বাতিল করছেন।

সাজেক জুমঘর রিসোর্টের ব্যবস্থাপক লিগা রায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পর সাজেক এখন পর্যটকশূন্য। পূজার ছুটিতে আমাদের রিসোর্টের সব রুম বুকিং ছিল। কিন্তু এখন সবাই বুকিং বাতিল করছেন। ব্যবসার মূল মৌসুমে আমাদের বিপুল লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।’

সাজেক খোয়াল বুক রিসোর্টের ব্যবস্থাপক সমিরন চাকমা জানান, তাঁদেরও পুরো রিসোর্ট বুকিং ছিল। নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটকেরা বুকিং বাতিল করছেন। এতে তাঁদের রিসোর্ট থেকেই প্রায় পাঁচ লাখ টাকার বুকিং ফি ফেরত দিতে হচ্ছে।

সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য সুপর্ণ দেব বর্মণ বলেন, ‘সাজেকের পর্যটনের সঙ্গে অনেক মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িত। ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণে সাধারণ মানুষ জীবিকা নিয়ে সংকটে পড়েছেন। দ্রুত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলে সংকট কেটে যাবে বলে আমরা আশা করছি।’

সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণ বন্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, ‘বিভিন্ন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই দ্রুত পর্যটনকেন্দ্রটি খুলে দেওয়া হবে।’

সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ঘোষণা দিয়েছে, ১১ অক্টোবর সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ করা হয়েছিল। তখন প্রশাসন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলে অবরোধ স্থগিত করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও দাবি পূরণ হয়নি। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করায় পাহাড়ের পর্যটন অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় হোটেল, রিসোর্ট, পরিবহন, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন।’

"সাজেকের মাচলঙ এলাকায় জেএসএস (সন্তু লারমা) গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়াসহ তিন দফা দাবিতে অবরোধ করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও দাবি পূরণ হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাঙামাটি জেলা, সাজেক পর্যটনকেন্দ্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিগা রায়, সমিরন চাকমা, সুপর্ণ দেব বর্মণ, নাজমা আশরাফী, বাবুধন চাকমা, নতুন জয় চাকমা, সজীব চাকমা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ অক্টোবর, ১১ অক্টোবর, ৪৮ ঘণ্টা, ২৪ ঘণ্টা, পাঁচ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖