📌 রাঙামাটির সাজেকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন আবার অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ ঘোষণা করেছে। ২২ অক্টোবর থেকে অবরোধ শুরু হবে এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে আবার অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় সংগঠন দুটি। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তাদের তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়ায় ২২ অক্টোবর থেকে সাজেক সড়কে অবরোধ শুরু হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ অক্টোবর থেকে সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হবে, যা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চলবে
- 📌 সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে
- 📌 সশস্ত্র গোষ্ঠীর কোম্পানি কমান্ডার চিনু মারমা ও সাইমন চাকমা নেতৃত্বে মাচলং এলাকায় সশস্ত্র সদস্যরা তৎপরতা চালাচ্ছে
- 📌 শতাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে ঘরছাড়া করা হয়েছে এবং তাদের ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে
- 📌 জুমচাষিরা জুমের কাজেও যেতে পারছেন না ভয়ে
- 📌 বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সংগঠন দুটি অবরোধের ঘোষণা প্রকাশ করে
- 📌 ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ স্থগিত ছিল দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে
- 📌 ৩০ হাজার লোকের জীবনযাপন ব্যাহত হতে পারে অবরোধের কারণে
📰 বিস্তারিত
সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর অবরোধ স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় ২২ অক্টোবর থেকে আবার অবরোধ শুরু হবে। সংগঠন দুটির নেতারা জানান, জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা এখনো সাজেকের আগের স্থানগুলোতেই অবস্থান করছে। তাদের দাবি, সশস্ত্র গ্রুপের কোম্পানি কমান্ডার চিনু মারমা ও সাইমন চাকমার নেতৃত্বে মাচলং এলাকার থালকুম্ভো, চিল্ল্যাতুলি কুটির, নোয়াপাড়া, লাম্বাবাক ও ভুয়োছড়িতে প্রকাশ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চলছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সশস্ত্র সদস্যরা শতাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে ঘরছাড়া করেছেন এবং তাদের মুঠোফোন কেড়ে নিয়েছে। ভয়ে সাধারণ জুমচাষিরা জুমে হলুদ ও ঝাড়ুফুলের বাগান পরিষ্কারের কাজেও যেতে পারছেন না। এলাকাবাসীর নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষায় সশস্ত্র সদস্যদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠন দুটি।
সাজেক সড়কে আগের অবরোধে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল। খাগড়াছড়ির দীঘিনালার জোড়াব্রীজ থেকে সাজেক ভ্যালি পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্য পরিবহন ও দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল। পরিবহন সংকটে জুমের ফসল বিক্রি করতে না পেরে স্থানীয় চাষিরা দুশ্চিন্তায় পড়ছেন। এবার অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী হলে খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
"সশস্ত্র সদস্যরা শতাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে ঘরছাড়া করেছেন এবং তাদের মুঠোফোন কেড়ে নিয়েছেন। ভয়ে সাধারণ জুমচাষিরা জুমে হলুদ ও ঝাড়ুফুলের বাগান পরিষ্কারের কাজেও যেতে পারছেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাজেক, বাঘাইছড়ি উপজেলা, রাঙামাটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নতুন জয় চাকমা (সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি), বাবুধন চাকমা (সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক), চিনু মারমা ও সাইমন চাকমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ অক্টোবর (অবরোধ শুরু), ৩০ হাজার (ভোগান্তিতে পড়া মানুষ), ৪৮ ঘণ্টা (প্রশাসনের আশ্বাসের সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!