📌 রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্রের সড়কে পাহাড়ি সংগঠন দুটি আবার অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দিয়েছে। তারা দাবি করে, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে রয়েছে
রাঙামাটি জেলার সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্রের সড়কে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৬টায় পাহাড়ি দুই সংগঠন ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কারবারি এসোসিয়েশন’ আবার অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দিয়েছে। এই কর্মসূচি শুরু হয় তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে। সংগঠন দুটি বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে যৌথ বিবৃতিতে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ অক্টোবর সকাল ৬টায় সাজেক ভ্যালি সড়কে আবার অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়েছে।
- 📌 জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা মাচলঙের থালকুম্ভো, চিল্ল্যাতুলি কুটির, নোয়াপাড়া, লাম্বাবাক ও ভুয়োছড়ি এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাচ্ছে।
- 📌 সহস্রাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে ঘরছাড়া করা হয়েছে এবং তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
- 📌 জুমচাষীরা ভয়ে জুমে হলুদ ও ঝাড়ুফুলের বাগান পরিষ্কার করতে পারছেন না।
- 📌 সেনাবাহিনীর লোক-দেখানো অভিযান সত্ত্বেও জেএসএস সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
- 📌 সাজেক পর্যটকদের অনুরোধ করা হয়েছে আজকের মধ্যে সাজেক ত্যাগ করা।
📰 বিস্তারিত
সাজেক কারবারি এসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা এখনো আগের অবস্থানগুলোতেই রয়েছে। তাদের কোম্পানি কমান্ডার চিনু মারমা ও সাইমন চাকমার নেতৃত্বে মাচলঙ এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চলছে। শতাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে ঘরছাড়া করা হয়েছে এবং তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। জুমচাষীরা ভয়ে জুমে হলুদ ও ঝাড়ুফুলের বাগান পরিষ্কার করার কাজে যেতে পারছেন না।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী লোক-দেখানো অভিযান চালালেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা দাবি করেছেন, এলাকার জনগণের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষার্থে এবং জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের সন্ত্রাস ও উৎপাত বন্ধ করার জন্য তাদেরকে উক্ত এলাকা থেকে সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত অবরোধ অব্যাহত থাকবে।
সাজেক পর্যটনে যারা ভ্রমণে রয়েছেন তাদেরকে আজকের মধ্যে সাজেক ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। অবরোধ চলাকালে জরুরি ফায়ার সার্ভিস, এ্যাম্বুলেন্স ও শববাহী গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী ও সংবাদপত্র বহনকারী যান, সংবাদ সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত সাংবাদিকদের গাড়ি এই অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
"জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা এখনো আগের অবস্থানগুলোতেই রয়েছে। তাদের সশস্ত্র গ্রুপের কোম্পানি কমান্ডার চিনু মারমা ও সাইমন চাকমার নেতৃত্বে সাজেকের মাচলঙ এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালাচ্ছে। শতাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে ঘরছাড়া করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র, রাঙামাটি জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নতুন জয় চাকমা (সভাপতি), বাবুধন চাকমা (আহ্বায়ক), চিনু মারমা (কমান্ডার), সাইমন চাকমা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ অক্টোবর (সকাল ৬টা), ২১ অক্টোবর, ১১ অক্টোবর, ১১ ঘন্টা, ৪৮ ঘন্টা, ১৫ অক্টোবর, ২১ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!