📌 রাঙ্গামাটির সাজেকে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। সেনাবাহিনীর সহায়তায় ১২০০ পর্যটক নিরাপদে বের হয়। পিসিজেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে অবরোধ শুরু হয়েছিল। বাঘাইছড়ি প্রশাসন পরিস্থিতি নজর রাখছে
রাঙ্গামাটির সাজেকে সড়ক অবরোধের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হয়। সেনাবাহিনীর বিশেষ এসকর্টে আটকা পড়া প্রায় ১২০০ পর্যটক নিরাপদে বের হয়। অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি। অবরোধের কারণে পর্যটকদের সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালা সড়ক চলাচল বন্ধ ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ৬টায় সাজেক-দীঘিনালা সড়ক অবরোধ শুরু হয় পিসিজেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে
- 📌 সেনাবাহিনীর সহায়তায় ১২০০ পর্যটক সাজেক ছেড়ে যান, আর ৫৮টি চাঁদের গাড়িসহ শতাধিক যানবাহনে করে ১০০০-এরও বেশি পর্যটক নতুন করে সাজেক প্রবেশ করেন
- 📌 অবরোধ প্রত্যাহার ঘোষণা দেয়া হয়, কিন্তু ১২ ও ১৩ অক্টোবর অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়
- 📌 বাঘাইছড়ি ইউএনও আমেনা মারজান জানান, বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক আটকা নেই, প্রশাসন পরিস্থিতি নজর রাখছে
- 📌 সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা বলেন, পর্যটকদের বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সাজেক ছেড়েছেন
📰 বিস্তারিত
পার্বত্য চট্টগ্রামের সাজেকে সড়ক অবরোধের কারণে পর্যটকদের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধের দাবি ছিল পিসিজেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক থেকে সরিয়ে নেওয়া। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাজেক ইউপিডিএফ প্রভাবাধীন এলাকা। অবরোধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় গত ৮ অক্টোবর সাজেকের উজোর বাজারে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে পিসিজেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের উপস্থিতির কারণে। প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের সরিয়ে নেওয়ার দাবি করা হয়েছিল, কিন্তু তা করা হয়নি বলে অবরোধ শুরু হয়।
রোববার সকাল থেকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কের গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করা হয়। অবরোধের কারণে সাজেক ও বাঘাইছড়ি থেকে দীঘিনালা সড়ক চলাচল বন্ধ ছিল। সন্ধ্যায় অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি। পাশাপাশি ১২ ও ১৩ অক্টোবর অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান জানান, “পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক আটকা নেই। প্রশাসন সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক চলছে।”
"গত ৮ অক্টোবর সাজেকের উজোর বাজারে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে পিসিজেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নিতে প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়নি বলে অবরোধ শুরু হয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাজেক, বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমেনা মারজান (বাঘাইছড়ি ইউএনও), রাহুল চাকমা (সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক), নতুন জয় চাকমা (সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি), বাবুধন চাকমা (সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০০ (পর্যটক), ৫৮ (চাঁদের গাড়ি), ১০০০ (পর্যটক), ১১ (অক্টোবর), ৬ (টা), ১২ ও ১৩ (অক্টোবর), ৪৮ (ঘণ্টা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!