📌 রূপগঞ্জের ভোলাবো ইউনিয়নে রোববার রাত সাড়ে ১১টায় যুবদল নেতা রিপন মিয়া কুপিয়ে নিহত হন। পরিবার দাবি, ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে নাম না থাকা এবং এলাকায় মাদক বিরোধের কারণে হত্যা করা হয়। পুলিশ গ্রেপ্তার চেষ্টা চালাচ্ছে
রূপগঞ্জের ভোলাবো ইউনিয়নে রোববার রাত সাড়ে ১১টায় যুবদল নেতা রিপন মিয়া কুপিয়ে নিহত হন। নিহতের পরিবার দাবি করে, ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে নাম না থাকা এবং এলাকায় মাদক বিরোধের কারণে তার বিরুদ্ধে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রোববার রাত সাড়ে ১১টায় রূপগঞ্জের ভোলাবো ইউনিয়নের পাইসকা কুলি মার্কেটে যুবদল নেতা রিপন মিয়া কুপিয়ে নিহত হন
- 📌 নিহত রিপন মিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন এবং এলাকায় মাদক বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন
- 📌 পরিবার দাবি, ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে রিপন মিয়া ও এলাকার অন্যান্য ব্যক্তিদের নাম না থাকায় বিরোধ সৃষ্টি হয়
- 📌 রিফাত কাজী, ফরহাদ কাজী, তানভীর কাজী, আমিরুল কাজী ও ইমন কাজীসহ ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে রিপন মিয়ার ওপর হামলা চালায়
- 📌 পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়
📰 বিস্তারিত
রূপগঞ্জের ভোলাবো ইউনিয়নের পাইসকা এলাকায় রোববার রাত সাড়ে ১১টায় যুবদল নেতা রিপন মিয়া কুপিয়ে নিহত হন। নিহত রিপন মিয়া ভোলাবো ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন এবং এলাকায় কাঠের ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। তিনি এলাকার মৃত শহিদুল্লাহর ছেলে। পরিবার জানায়, গত ৬ ও ৭ অক্টোবর পাইসকা এলাকায় অনুষ্ঠিত ওয়াজ মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে রিপন মিয়া ও এলাকার অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নাম ছিল না। এর কারণে তারা ক্ষুব্ধ হন বলে দাবি পরিবারের সদস্যরা।
পরিবার আরও জানায়, রিপন মিয়া এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেন। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল বলে দাবি করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় রিপন মিয়ার সঙ্গে রিফাত কাজী ও তার লোকজনের কথা-কাটাকাটি হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে রিফাত কাজী, ফরহাদ কাজী, তানভীর কাজী, আমিরুল কাজী ও ইমন কাজীসহ ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় রিপনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে তার মৃত্যু হয়।
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক দেখা দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রিপন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
"গত ৬ ও ৭ অক্টোবর পাইসকা এলাকায় স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে একটি ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মাহফিলের আয়োজক কমিটিতে রিপন মিয়াসহ এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি ছিলেন। স্থানীয় রিফাত কাজী, ফরহাদ কাজী, তানভীর কাজী, আমিরুল কাজী ও ইমন কাজীর নাম কমিটিতে না থাকায় তারা ক্ষুব্ধ হন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলাবো ইউনিয়ন, পাইসকা কুলি মার্কেট, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিপন মিয়া (নিহত), রিফাত কাজী, ফরহাদ কাজী, তানভীর কাজী, আমিরুল কাজী, ইমন কাজী, শাওন মিয়া, শাহিন মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১:৩০ টা (ঘটনার সময়), ৭ নম্বর ওয়ার্ড, ৬ ও ৭ অক্টোবর, ৫০ থেকে ৬০ জন (হামলাকারী দল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!