📌 নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর নিয়ামতপুর জোনাল অফিসে গ্রাহকদের হয়রানি ও অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে। নতুন মিটার আবেদন, লোড বৃদ্ধি ও মিটার স্থানান্তরের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা
নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গ্রাহকদের হয়রানি ও অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, নতুন মিটার আবেদন, বিদ্যুতের লোড বৃদ্ধি এবং মিটার স্থানান্তরের মতো সেবা নিতে গিয়ে তারা বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও অর্থ দাবির শিকার হচ্ছেন। এসব অভিযোগে অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মেসবাহুল হক ও ওয়ারিং ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলামের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর নিয়ামতপুর জোনাল অফিসে** গ্রাহকদের হয়রানি ও অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে।
- 📌 **অনলাইনে নতুন মিটার আবেদন করলে** বিভিন্ন ত্রুটি দেখিয়ে তা বাতিল করা হয়, কিন্তু মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আবেদন করলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন হয়।
- 📌 **মসজিদে এসি স্থাপনের জন্য লোড বৃদ্ধির আবেদন** করা হলেও তিন মাস পরও প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
- 📌 **নির্মাণাধীন ভবনের মিটার স্থানান্তরের আবেদনে** ওয়ারিং ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম **১০০০ টাকা দাবি** করেছেন।
- 📌 **অবাসিক ব্যবহারের জন্য মিটার অনুমোদিত থাকলেও** বাণিজ্যিক হারে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।
- 📌 **অফিসের এজিএম (কম) মহাই মিনুল ইসলাম** বলেছেন, “বিষয়টি আমার জানা ছিল না। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
📰 বিস্তারিত
পাঁড়ইল ইউনিয়নের ধানসা মসজিদ কমিটির পক্ষে আমানউল্লাহ জানান, মসজিদে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) স্থাপনের জন্য বিদ্যুতের লোড বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছিল প্রায় তিন মাস আগে। একবার পরিদর্শন করা হলেও এখনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে ডিজিএম মেসবাহুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ওয়ারিং ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে বলেছিলেন বলে আমানউল্লাহ জানান।
অন্যদিকে, কাওসার নামের এক গ্রাহক অভিযোগ করেন, নির্মাণাধীন ভবনের মিটার আবাসিক ব্যবহারের উপযোগী স্থানে স্থানান্তরের আবেদন করলে ওয়ারিং ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম তাঁর কাছে **১০০০ টাকা দাবি** করেছিলেন। ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পরও সমস্যার সমাধান হয়নি। বর্তমানে তিনি অবাসিকভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও বাণিজ্যিক হারে বিল পরিশোধ করতে বাধ্য হন।
গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎসেবা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ খাতে আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা ও অর্থ দাবির অভিযোগ উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তারা দাবি করছেন, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, মিটার অনুমোদন ও আবেদন নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া যাচাই এবং হয়রানিমুক্ত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
"বিষয়টি আমার জানা ছিল না। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিয়ামতপুর, নওগাঁ জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমানউল্লাহ, কাওসার, ডিজিএম মেসবাহুল হক, ওয়ারিং ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম, এজিএম (কম) মহাই মিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০ টাকা (অর্থ দাবি), ৩ মাস (লোড বৃদ্ধির আবেদন থেকে প্রতিবেদন না পাওয়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!