📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নৌকার সঙ্গে বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে বালু ব্যবসায়ী মুকবুল হোসেন (৪০)কে হত্যা করা হয়। নিখোঁজের ছয় দিন পর তার লাশ তিতাস নদ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িত রুবেল মিয়া বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের অপেক্ষায় রয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় নৌকার সঙ্গে বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করা হয় বালু ব্যবসায়ী মুকবুল হোসেন (৪০)-কে। নিখোঁজের ছয় দিন পর গত রোববার দুপুরে তিতাস নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি রুবেল মিয়া বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের অপেক্ষায় রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরের তিতাস নদ থেকে নিখোঁজের ৬ দিন পর মুকবুল হোসেনের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়
- 📌 কাঠের নৌকার নিচের অংশে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল মরদেহ
- 📌 ঘটনায় জড়িত রুবেল মিয়া (মুকবুলের ব্যবসা অংশীদার) শনিবার রাতে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হন, বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
- 📌 মুকবুলের বড় ভাই বাবুল মিয়া অভিযোগ করেন, রুবেল ডাকাত প্রকৃতির মানুষ
- 📌 নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়
📰 বিস্তারিত
মুকবুল হোসেন (৪০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মৃত মন মিয়া ব্যাপারীর ছেলে এবং তিতাস নদে বালু উত্তোলনের একটি খননযন্ত্রের (ড্রেজার) ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর খননযন্ত্র থেকে নিখোঁজ হন মুকবুল। এরপর থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবার ও স্থানীয় লোকজন নদসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
বৃহস্পতিবার মুকবুলের চাচাতো ভাই শফিকুল ইসলাম বাঞ্ছারামপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। একই দিন একই এলাকা থেকে খননযন্ত্রের অংশীদার রুবেল মিয়া নামের আরেকজন নিখোঁজ হন। শনিবার রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে ১০০ থেকে ১৫০ ফুট পশ্চিমে রুবেলকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি সেখানে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন।
মুকবুলের বড় ভাই বাবুল মিয়া অভিযোগ করেন, রুবেল ডাকাত প্রকৃতির মানুষ। তিনি বলেন, ‘এরা ডাকাত প্রকৃতির মানুষ।’ তিনি জানান, নিখোঁজের আগে রুবেল বারবার জানিয়েছিলেন, মুকবুল ঢাকায় গেছেন। জিডি করার পর বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে রুবেলও নিখোঁজ হন। শনিবার রাতে ড্রেজারের পাশে বাড়িতে এসে হাজির হন তিনি।
"বেলা দেড়টার দিকে পানির তলদেশে নৌকার নিচের অংশের লোহার অ্যাঙ্গেলের সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলা, তিতাস নদ, মিরপুর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুকবুল হোসেন (৪০), রুবেল মিয়া, বাবুল মিয়া, মোহাম্মদ ইয়াছিন (বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ দিন (নিখোঁজ), ৪০ বছর (মুকবুলের বয়স), ১০০-১৫০ ফুট (রুবেলের উদ্ধার স্থান থেকে দূরত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!