📌 চট্টগ্রামের রাউজানে পুলিশের অভিযানে গুলিবর্ষণে ১২ পুলিশ আহত ও গ্রুপের সদস্য দিলদার হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে উদ্ধার হয় ১২০টি গুলি, দুটি বন্দুকসহ বিভিন্ন অস্ত্র। পুলিশের দাবি, গ্রুপটি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত
চট্টগ্রামের রাউজানে পুলিশের গোপন অভিযানে গুলিবর্ষণে ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। অভিযানে গ্রুপের সদস্য দিলদার হোসেন (৩৭)কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযান চলাকালীন গ্রুপের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে ১২ জন পুলিশ আহত হন। অভিযানে উদ্ধার হয় একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা বন্দুকসহ ১১৯টি গুলি, ছয়টি সিসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দুটি বঁটি ও দুটি গুলি রাখার পাত্র।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের রাউজানের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পুলিশের অভিযানে ১২ জন পুলিশ আহত হন
- 📌 গ্রুপের সদস্য দিলদার হোসেন (৩৭)কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়
- 📌 অভিযানে উদ্ধার হয় ১২০টি গুলি, দুটি বন্দুকসহ বিভিন্ন অস্ত্র
- 📌 পুলিশের দাবি, গ্রুপটি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত
- 📌 অভিযানে আহত হন এসআই জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই খোরশেদ আলমসহ ১২ জন পুলিশ সদস্য
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাউজানের কদলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের তথ্য মতে, অভিযানের সময় গ্রুপের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশের দাবি, রায়হান ও আলমের বাহিনীর সদস্যদের একের পর এক গ্রেপ্তারের পর ‘ডাকাত আলম-আজিজ বস’ গ্রুপ এলাকায় অপতৎপরতা শুরু করে। তারা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৫ সেপ্টেম্বর গ্রুপের সদস্যরা আবু বক্কর চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম, মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বস, দিলদার হোসেন, মো. রুবেল, মামুন-অর-রশিদ ওরফে মামুন এবং মো. বাঁচা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি ছোড়েন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দিলদার হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের তথ্য মতে, অভিযানে এসআই (নিরস্ত্র) জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই খোরশেদ আলম, এসআই বায়েজিদ মৃধা, এসআই জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস ও এএসআই রবিউল হোসেনসহ মোট ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে উদ্ধার করা হয় একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা বন্দুক, ১১৯টি গুলি, ছয়টি সিসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দুটি বঁটি ও দুটি গুলি রাখার পাত্র।
"রায়হান গ্রুপের বিপক্ষের ‘ডাকাত আলম-আজিজ বস’ গ্রুপ এলাকায় অপতৎপরতা শুরু করে। তারা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের রাউজান, দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়াপাড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, দিলদার হোসেন (৩৭), জানে আলম (ডাকাত আলম), মোহাম্মদ আজিজ (আজিজ বস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন পুলিশ আহত, ১ জন গ্রেপ্তার, ১২০টি গুলি, ২টি বন্দুক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!