📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুর পীরগঞ্জে আমন ধানের জমিতে পানির সংকট: মাটি ফেটে চৌচির, ফলন বিপদে

রংপুর পীরগঞ্জে আমন ধানের জমিতে পানির সংকট: মাটি ফেটে চৌচির, ফলন বিপদে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় আমন ধানের ২৫ হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমিতে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির অভাব ও তীব্র গরমে মাটি শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে, যা ধানের ফলনকে বিপদে ফেলেছে। কৃষকরা সেচের মাধ্যমে জমিতে পানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু খরচ বাড়ার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় আমন ধানের চাষাবাদের জন্য পানির সংকট একটি মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃষ্টির অভাব ও তীব্র গরমের কারণে ২৫ হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমিতে রোপিত ধানের গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। কৃষকদের মতে, জমির মাটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে, যা ফলনকে বিপদে ফেলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রংপুর পীরগঞ্জে ২৫ হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমিতে রোপিত আমন ধানের গাছ পানির সংকটে ভুগছে
  • 📌 বৃষ্টির অভাব ও তীব্র গরমে জমির মাটি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে, ধানের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে
  • 📌 কৃষকরা সেচের মাধ্যমে জমিতে পানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু খরচ বাড়ার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন
  • 📌 উপজেলায় মোট ৩২ হাজার ৮০০ হেক্টর জমি রয়েছে, এর মধ্যে ২৫ হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে
  • 📌 কৃষকরা আশা করছেন, আগামী দিনে বৃষ্টিপাত হলে ধানের ক্ষতি অনেকটাই কমে আসবে

📰 বিস্তারিত

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় বর্তমানে আমন ধানের চাষের জন্য পানির সংকট একটি মারাত্মক সমস্যা। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ধানের জমিতে সেচসংকট দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির অভাব ও তীব্র গরমের কারণে জমির মাটি শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। এতে ধানের গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে এবং কৃষকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা ছড়িয়ে পড়েছে।

কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘ধানের জমিতে পানি নেই। বাধ্য হয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। এতে খরচ অনেক বেড়ে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বৃষ্টি না হলে ফলন নিয়ে বিপদে পড়ব। এ সময় জমিতে পানি না হলে ব্যাপক ক্ষতি হবে ধানের।’ রায়পুরের কৃষক মজনু মিয়া বলেছেন, ‘জমির মাটি ফেটে গেছে। ধানগাছের বৃদ্ধি আগের মতো নেই। এখন আল্লাহর রহমতে বৃষ্টি ছাড়া উপায় দেখছি না। আমন ধান আমাদের সারা বছরের খাদ্য ও আয়ের অন্যতম ভরসা। তাই দ্রুত বৃষ্টি দরকার।’

আলমপুরের কৃষক মাহামুদুল হাসান বলেছেন, ‘এ সময় আমন ধানের জমিতে প্রচুর পানির প্রয়োজন। ধানগাছে শিষ বের হওয়ার সময় পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় জমি শুকিয়ে আছে। ফলে বাধ্য হয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে।’ কাবিলপুরের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘বর্ষা মৌসুমে সাধারণত বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভর করেই আমরা আমন ধানের চাষ করি। কিন্তু সময়মতো বৃষ্টি না হলে জমিতে পানির সংকট দেখা দেয়। তখন বিকল্প উপায়ে সেচের ব্যবস্থা করতে হয়। এতে বাড়তি টাকা খরচ হয়, পাশাপাশি সময় ও শ্রমও বেশি লাগে। তাই স্বল্প খরচে সেচের পানির ব্যবস্থা করা গেলে অনেক উপকার হতো।’

পৌরসভার কৃষক রানু মিয়া বলেছেন, ‘এখন ধানগাছে শিষ বের হওয়ার সময় জমিতে পানির প্রয়োজন। কৃষকেরা অনেক আশা নিয়ে ধান চাষ করেন, কিন্তু আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে সেই আশা পূরণ নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়।’ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেছেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দিতে হবে এবং জমির আর্দ্রতা ধরে রাখতে হবে। আমরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। আশা করছি, আগামী দিনে বৃষ্টিপাত হলে ধানের ক্ষতি অনেকটাই কমে আসবে।’

"ধানের জমিতে পানি নেই। বাধ্য হয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। এতে খরচ অনেক বেড়ে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বৃষ্টি না হলে ফলন নিয়ে বিপদে পড়ব। এ সময় জমিতে পানি না হলে ব্যাপক ক্ষতি হবে ধানের।"
"জমির মাটি ফেটে গেছে। ধানগাছের বৃদ্ধি আগের মতো নেই। এখন আল্লাহর রহমতে বৃষ্টি ছাড়া উপায় দেখছি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা (রায়পুর, বড় দরগা, পৌর এলাকা, আলমপুর, কাবিলপুর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুর রাজ্জাক, মজনু মিয়া, মাহামুদুল হাসান, নজরুল ইসলাম, রানু মিয়া, সুমন আহমেদ (উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ হাজার ৫৯৫ হেক্টর (আমন ধানের জমি), ৩২ হাজার ৮০০ হেক্টর (মোট চাষাবাদ জমি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖