📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরের পীরগঞ্জে আমন ধানের খেতে পানি সংকট: কৃষকদের বিপদে ফলন কমে যেতে পারে

রংপুরের পীরগঞ্জে আমন ধানের খেতে পানি সংকট: কৃষকদের বিপদে ফলন কমে যেতে পারে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় তীব্র দাবদাহ ও বৃষ্টির ঘাটতিতে আমন ধানের খেতে পানি সংকট দেখা দিয়েছে। ২৫ হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের ফলন কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় তীব্র গরম ও দীর্ঘদিন বৃষ্টির অভাবের কারণে আমন ধানের খেতে পানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকদের মতে, জমির মাটি শুকিয়ে ফেটে যাওয়ায় ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। বাধ্য হয়ে সেচের খরচ বাড়িয়ে কৃষকরা জমিতে পানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন, যা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থাকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার আমনখেতে পানি সংকট দেখা দিয়েছে
  • 📌 ২৫ হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের ফলন কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা
  • 📌 তীব্র রোদ ও গরমে মাটি শুকিয়ে ফেটে যাওয়ায় ধানগাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে
  • 📌 কৃষকদের সেচের খরচ বাড়িয়ে পানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু অর্থনৈতিক চাপে বিপদে পড়েছেন
  • 📌 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেছেন, বৃষ্টিপাত হলে ধানের ক্ষতি অনেকটাই কমে যেতে পারে

📰 বিস্তারিত

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় তীব্র দাবদাহ ও দীর্ঘদিন বৃষ্টির অভাবের কারণে আমন ধানের খেতে পানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ধানের জমিতে পানি নেই। কৃষকদের মতে, জমির মাটি শুকিয়ে ফেটে গেছে, যা ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ব্যাহত করছে। বাধ্য হয়ে সেচের মাধ্যমে পানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন কৃষকরা, কিন্তু বাড়তি খরচের কারণে তারা বিপদে পড়েছেন।

উপজেলার বড় দরগা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘ধানের জমিতে পানি নেই। বাধ্য হয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। এতে খরচ অনেক বেড়ে গেছে। দ্রুত বৃষ্টি না হলে ফলন নিয়ে বিপদে পড়ব। এ সময় জমিতে পানি না হলে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হবে।’

রায়পুর এলাকার কৃষক মজনু মিয়া বলেন, ‘জমির মাটি ফেটে গেছে। ধানগাছের বৃদ্ধি আগের মতো নেই। এখন আল্লাহর রহমতে বৃষ্টি ছাড়া উপায় দেখছি না। আমন ধান আমাদের সারা বছরের খাদ্য ও আয়ের অন্যতম ভরসা। তাই দ্রুত বৃষ্টি হওয়া দরকার।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমন আহমেদ বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দিতে হবে এবং জমির আর্দ্রতা ধরে রাখতে হবে। তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে বৃষ্টিপাত হলে ধানের ক্ষতি অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করছি। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

"ধানের জমিতে পানি নেই। বাধ্য হয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। এতে খরচ অনেক বেড়ে গেছে। দ্রুত বৃষ্টি না হলে ফলন নিয়ে বিপদে পড়ব।"
"জমির মাটি ফেটে গেছে। ধানগাছের বৃদ্ধি আগের মতো নেই। এখন আল্লাহর রহমতে বৃষ্টি ছাড়া উপায় দেখছি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পীরগঞ্জ উপজেলা, রংপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুর রাজ্জাক, মজনু মিয়া, কৃষিবিদ সুমন আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমি, ১৫ ইউনিয়ন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖