📌 রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের সংস্কারকাজে অপারগতা দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর পর মেরামত করা অংশের পিচ ও সিমেন্টের ব্লক মাত্র সাত দিনে বেহাল হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা সরকারি অর্থের লোপাট ও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন
রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের সংস্কারকাজে অপারগতা ও অপারগতার অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রংপুর সফর উপলক্ষে মেরামত করা অংশের পিচ ও সিমেন্টের ব্লক মাত্র সাত দিনেই বেহাল হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও চালকদের মতে, সরকারি অর্থের লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের ১০ কিলোমিটার অংশের ২ কিলোমিটার সংস্কারকাজে অপারগতা** — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর পর মেরামত করা অংশের পিচ ও সিমেন্টের ব্লক মাত্র সাত দিনে বেহাল হয়ে পড়েছে।
- 📌 **সড়কের নিচের ফাউন্ডেশন খারাপ** — রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. কামাল পাশা বলেছেন, "এ সড়কের নিচের ফাউন্ডেশন খারাপ, তাই কোনোটাতে টিকতেছে না।"
- 📌 **সরকারি অর্থের লোপাটের অভিযোগ** — স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল হক বলেছেন, "এখানে সড়ক সংস্কার করা হয় আবার নষ্ট হওয়ার জন্য।"
- 📌 **২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৭ কিলোমিটার সংস্কারের খরচ ২৬ কোটি ৮৯ লাখ ৫৯ হাজার ৯৪৬ টাকা** — রাজশাহীর ডন এন্টারপ্রাইজের সাথে চুক্তি করা হয়েছিল।
- 📌 **২০ অক্টোবর শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ১০ কিলোমিটার অংশে সংস্কার করা হয়েছিল** — কিন্তু মাত্র সাত দিনেই বেহাল হয়ে পড়েছে।
📰 বিস্তারিত
রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের পাগলাপীর থেকে মেডিকেল মোড় পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশের মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার সংস্কারকাজে অপারগতা দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রংপুর সফর উপলক্ষে ২০ অক্টোবর শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শনে আগের চার দিন ধরে মহাসড়কের শতাধিক স্থানে সংস্কারকাজ করা হয়েছিল। পুরোনো ইটের পাটাতন তুলে সেখানে নতুন সিমেন্টের ব্লক বসানো হয়েছিল এবং তার ওপর দেওয়া হয়েছিল পিচের প্রলেপ। তবে মাত্র সাত দিনের মধ্যেই সংস্কার করা অংশের পিচ ও সিমেন্টের ব্লক বেহাল হয়ে পড়েছে। কোথাও সৃষ্টি হয়েছে গর্ত, কোথাও ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে সড়কের পৃষ্ঠ।
সরেজমিনে দেখা যায়, সংস্কার করা অংশের ব্লক ভেঙে গেছে এবং পিচের প্রলেপ উঠে গিয়ে আগের মতো গর্ত তৈরি হয়েছে। সেসব জায়গায় আবারও মেরামতের কাজ চলছে। ফলে একই সড়কের একই অংশে অল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার সংস্কার করতে হচ্ছে। এতে কাজের মান ও তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সিও বাজার এলাকার বাসিন্দা নাজমুল হক বলেন, ‘এখানে সড়ক সংস্কার করা হয় আবার নষ্ট হওয়ার জন্য। যাতে সারা বছর মেরামতের কাজ চলে, কর্মকর্তা আর ঠিকাদারদের কামাই ভালো থাকে। তা না হলে মাসে ১০ বার গর্ত বন্ধ করা হয়। দুই দিন না যেতেই আবার গর্ত হয়।’
রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. কামাল পাশা বলেন, ‘আসলে এ সড়কের নিচের ফাউন্ডেশন খারাপ, তাই কোনোটাতে টিকতেছে না। এটা নতুন করে নির্মাণ ছাড়া কোনো বুদ্ধি নাই।’
"এখানে সড়ক সংস্কার করা হয় আবার নষ্ট হওয়ার জন্য। যাতে সারা বছর মেরামতের কাজ চলে, কর্মকর্তা আর ঠিকাদারদের কামাই ভালো থাকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক (পাগলাপীর থেকে মেডিকেল মোড় পর্যন্ত)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, নাজমুল হক, মো. কামাল পাশা, স্থানীয় বাসিন্দা, চালক, পথচারী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কিলোমিটার (মহাসড়কের সংস্কারকৃত অংশ), ২ কিলোমিটার (বেহাল অংশ), ২৬ কোটি ৮৯ লাখ ৫৯ হাজার ৯৪৬ টাকা (খরচ), ১৭ কিলোমিটার (২০২৪-২৫ অর্থবছরে সংস্কারকৃত অংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!