📌 রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধের সময় গুলিবর্ষণে সেনাবাহিনীসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। ৩ হাজার পর্যটক আটকা পড়ার পর সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে বাঘাইহাটে নিয়ে যায়। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, ইউপিডিএফ-সমর্থিত সংগঠন নারীদের সামনে রেখে অবরোধ করছে।
রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধের সময় সৃষ্ট সংঘাতে গুলিবর্ষণে সেনাবাহিনীসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ইউপিডিএফ-সমর্থিত সংগঠন ‘সাজেক গণ অধিকার পরিষদ’ গঙ্গারাম বাজার ও উজোবাজার সড়কে অবরোধের ডাক দেয়ার পর পর্যটকদের ওপর গুলি চালানো হয়। অবরোধের কারণে সাজেক সড়কে প্রায় ৩ হাজার পর্যটক আটকা পড়েন এবং তাদের উদ্ধারের সময় গুলিবর্ষণ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭ জন আহত: গুলিবর্ষণে সেনাবাহিনীসহ ৭ জন আহত, তাদের মধ্যে ৬-৭ জনের অবস্থা গুরুতর
- 📌 ৩ হাজার পর্যটক আটকা: অবরোধের কারণে সাজেক সড়কে ৩ হাজার পর্যটক আটকা পড়ে
- 📌 নারীদের সামনে অবরোধ: ইউপিডিএফ-সমর্থিত সংগঠন নারীদের সামনে রেখে অবরোধ করছে
- 📌 সেনাবাহিনী উদ্ধার: সেনাবাহিনী পর্যটকদের নিরাপদে বাঘাইহাটে নিয়ে যায়
- 📌 অর্থনৈতিক ক্ষতি: পর্যটন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা জারি করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাঙ্গামাটির সাজেক এলাকায় অবরোধের সময় গুলিবর্ষণ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ইউপিডিএফ-সমর্থিত সংগঠন ‘সাজেক গণ অধিকার পরিষদ’ গঙ্গারাম বাজার ও উজোবাজার সড়কে অবরোধের ডাক দেয়। অবরোধের কারণে সাজেক সড়কে প্রায় ৩ হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। তাদের উদ্ধারের সময় সেনাবাহিনীসহ ৭ জন আহত হয়েছেন এবং তাদের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
সেনাবাহিনী ও পুলিশ পর্যটকদের নিরাপদে বাঘাইহাটে নিয়ে আসে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সাধারণ পাহাড়ি নারী-পুরুষদের জোর করে অবরোধে নামিয়ে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সড়কে গাছের গুঁড়ি ও বাঁশ ফেলে এবং আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। পর্যটকদের ওপর এই বর্বরোচিত হামলা এবং পাহাড়ের সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান ধ্বংস করায় স্থানীয়রা রাষ্ট্রদোহী সংগঠন ইউপিডিএফের এই অপরাজনীতি বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন।
অবরোধের কারণে পর্যটন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজ মালিক, জিপ চালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকেরা মারাত্মক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। এদের বেশির ভাগই স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সদস্য। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, পর্যটকেরা কেবল ভ্রমণ ও পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগে এসেছিলেন। আঞ্চলিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ কোন্দল, চাঁদাবাজি বা আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ের সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।
"সড়কে গাছের গুঁড়ি ও বাঁশ ফেলে এবং আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। সাধারণ পাহাড়ি নারী-পুরুষদের জরিমানা ও প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে জোর করে সড়ক অবরোধে নামিয়ে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাঙ্গামাটি জেলা, সাজেক (গঙ্গারাম বাজার ও উজোবাজার সড়ক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সেনাবাহিনী সদস্য, পর্যটকরা, স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠী, জেলা প্রশাসন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন আহত, ৩ হাজার পর্যটক আটকা পড়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!