📌 রাজশাহী নগরের দায়রাপাক থেকে নাদের হাজীর মোড় পর্যন্ত সড়কের কৃষ্ণচূড়া গাছের ডালপালা কাটা হয়েছিল ওয়াসার প্রকল্পের কাজে। কিন্তু কাটা ডাল থেকে নতুন শাখা বেরিয়ে আসছে এবং গাছগুলো আবার সবুজ হয়ে উঠছে। পরিবেশ কর্মীরা উন্নয়ন কাজের সাথে গাছের সুরক্ষার সমন্বয় চাইছে
রাজশাহী নগরের দায়রাপাক মোড় থেকে নাদের হাজীর মোড় পর্যন্ত সড়কের কৃষ্ণচূড়া গাছের ডালপালা কাটা হয়েছিল ওয়াসার প্রকল্পের কাজে। কিন্তু কাটা ডাল থেকে নতুন শাখা বেরিয়ে আসছে এবং গাছগুলো আবার সবুজ হয়ে উঠছে। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, সড়কের দুই পাশে সারি সারি কৃষ্ণচূড়া গাছের নতুন সবুজের করিডর গড়ে উঠেছে। সিটি করপোরেশনের অনুমতি ছাড়া গাছের ডাল কাটা নিষিদ্ধ হলেও, বিভিন্ন বিভাগের কাজে অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাছের ডাল কাটা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০০টি কৃষ্ণচূড়া গাছের ডালপালা কাটা হয়েছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাজশাহী ওয়াসার প্রকল্পের কাজে
- 📌 কাটা ডাল থেকে নতুন শাখা ও পাতা বেরিয়ে আসছে, গাছগুলো আবার সবুজ হয়ে উঠছে
- 📌 বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাছের ডাল কাটছেন, সিটি করপোরেশনের অনুমতি ছাড়া
- 📌 রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পরিবেশ শাখা বলছে, গাছের ডাল কাটার ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করা দরকার
- 📌 সড়কের পরিবেশের সাথে স্থানীয় ব্যবসার সম্পর্ক রয়েছে, গাছের ছায়াঘেরা পরিবেশে মানুষের আনাগোনা বাড়লে ব্যবসা লাভবান হয়
📰 বিস্তারিত
দায়রাপাক মোড় থেকে নাদের হাজীর মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে সারি সারি কৃষ্ণচূড়া গাছের ডালপালা কাটা হয়েছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাজশাহী ওয়াসার পানি শোধনাগার প্রকল্পের পাইপলাইন স্থাপনের কাজে। ভারী পাইপ ওঠানামার সময় ক্রেন চলাচলের সময় গাছের ডাল বাধা সৃষ্টি করছিল বলে ডাল কাটা হয়েছিল। গাছগুলো কাটা ডাল থেকে নতুন শাখা বেরিয়ে আসছে এবং ধীরে ধীরে সবুজ হয়ে উঠছে। সিটি করপোরেশনের পরিবেশ শাখার ব্যবস্থাপক ফরহাদ হোসেন বলেন, সিটি করপোরেশনের অনুমতি ছাড়া কেউ গাছের ডাল কাটতে পারেন না। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজনও মাঝেমধ্যে গাছের ডাল কাটে, কিন্তু অনেক সময় পুরো ডালপালা কেটে ফেলা হয়।
রাজশাহী বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, সিটি করপোরেশনকে এ বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। সড়কের ফুটপাতের পাশে চা বিক্রি করেন তাইজুল ইসলাম। তিনি বলেন, সড়কের সৌন্দর্য দেখতে এখানে অনেক মানুষ আসত। গাছের ডাল কাটার পর মানুষের আনাগোনা কমে গিয়েছিল। এখন গাছগুলো আবার বড় হচ্ছে। একসময় সড়কের ওপর ছায়া ফেলবে, মানুষও আবার এসে বসবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সড়কটির পরিবেশ ও সৌন্দর্যের সঙ্গে তাদের ব্যবসারও সম্পর্ক রয়েছে। গাছের ছায়াঘেরা পরিবেশে মানুষের আনাগোনা বাড়লে আশপাশের ব্যবসাতেও তার প্রভাব পড়ে। পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরতে গাছগুলোর আরও সময় লাগবে। নতুন ডালপালা এখনো আগের বিস্তৃত ছায়া তৈরি করতে পারেনি।
"সিটি করপোরেশনের অনুমতি ছাড়া কেউ গাছের একটি ডালও কাটতে পারেন না। বিদ্যুৎ বিভাগ মাঝেমধ্যে গাছের ডাল কাটে। এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করা দরকার।"
"কৃষ্ণচূড়াগাছগুলোর নিচে অনেক মানুষ বসেন ও বিশ্রাম নেন। সিটি করপোরেশনকে এ বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী নগর, দায়রাপাক মোড় থেকে নাদের হাজীর মোড় পর্যন্ত সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরহাদ হোসেন (রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পরিবেশ শাখা ব্যবস্থাপক), আতিকুর রহমান (রাজশাহী বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি), তাইজুল ইসলাম (চা বিক্রেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০টি কৃষ্ণচূড়া গাছের ডালপালা কাটা হয়েছিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!