📌 রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশেই মাদক বিক্রির আখড়া চালাচ্ছিলেন জাকির হোসেন। পুলিশ ৯০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করলেও মাদক ব্যবসা বন্ধ হয়নি। স্থানীয়রা দাবি, প্রশাসনের নাকের ডগায় বসেই চলছে এই অপরাধমূলক কার্যকলাপ
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের পাশেই দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার আখড়া ছিল। চায়ের দোকানের আড়ালে ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি হত। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা ৯০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ একজন দোকানিকে গ্রেপ্তার করলেও মাদক ব্যবসা বন্ধ হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশেই** মাদক ব্যবসার আখড়া ছিল — চায়ের দোকানের আড়ালে বিক্রি হত ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও ফেনসিডিল।
- 📌 **জাকির হোসেন (৩৭)** নামের দোকানিকাকে পুলিশ ৯০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করে, কিন্তু মাদক ব্যবসা বন্ধ হয়নি।
- 📌 **ডিসি অফিস থেকে মাত্র ২০০ গজ দূরে** অবস্থিত দোকানটি — সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের পশ্চিম দেয়াল ঘেঁষে।
- 📌 **জাকিরের বাড়ি** কাশিয়াডাঙ্গা থানার আদর্শগ্রামে, বাবার নাম শামিম শেখ।
- 📌 **গ্রেপ্তার হলেও** দোকানটি খোলা রয়েছে, পরিচালনা করছেন জাকিরের ভাতিজা মো. আশিক।
- 📌 **স্থানীয়রা দাবি**, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নাকের ডগায় বসেই চলছে মাদক ব্যবসা।
- 📌 **জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম** জানান, দোকানটি কার্যালয় থেকে ভাড়া নেওয়া হয়নি — বিষয়টি তদন্তের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশেই মাদকের কারবার চলছিল। সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের পশ্চিম দেয়াল ঘেঁষে অবস্থিত একটি টিনশেডের ভবনে তিনটি দোকান রয়েছে। মাঝের দোকানটি ছিল জাকির হোসেনের চায়ের দোকান, যেখানে তিনি ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও ফেনসিডিল বিক্রি করতেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে দোকানটির দূরত্ব মাত্র ২০০ গজ। স্থানীয়রা জানান, এই ভবনটি মূলত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য নির্মিত হয়েছিল, পরে তা ভাড়া দেওয়া হয়।
গত ১ নভেম্বর রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা জাকিরকে গ্রেপ্তার করেন। তাঁর দোকান থেকে ৯০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়। তবে গ্রেপ্তার হলেও মাদক ব্যবসা বন্ধ হয়নি। স্থানীয়রা দাবি, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এত কাছে হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানও নিয়মিত হয় না। জাকির কারাগারে থাকলেও তাঁর চায়ের দোকানটি খোলা রয়েছে, পরিচালনা করছেন তাঁর ভাতিজা মো. আশিক।
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, দোকানটি কার্যালয় থেকে ভাড়া নেওয়া হয়নি। তিনি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সরেজমিনে বিষয়গুলো দেখে আসতে বলেছেন। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে কোনো দোকান ভাড়া দেওয়া হয়নি। বিষয়টি তদন্তের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশে (সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ের পশ্চিম দেয়াল ঘেঁষে)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকির হোসেন (৩৭), মো. আশিক, কাজী শহিদুল ইসলাম (জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ২০০ গজ দূরত্ব, ১ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!