📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীতে উন্নয়ন প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে যানজট

রাজশাহীতে উন্নয়ন প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে যানজট

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীর চারটি ফ্লাইওভার নির্মাণ ও ওয়াসার পাইপলাইন সম্প্রসারণ প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রতা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতা নগরবাসীদের জীবনকে দুর্ভোগময় করে তুলেছে। চলাচলের পথ বন্ধ ও সংকুচিত হওয়ায় যানজট, দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে

রাজশাহীর উন্নয়ন প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতা শহরের নগরবাসীদের জীবনকে দুর্ভোগময় করে তুলেছে। চারটি ফ্লাইওভার নির্মাণ এবং ওয়াসার পাইপলাইন সম্প্রসারণের কাজে শহরের প্রধান সড়কগুলো বন্ধ বা সংকুচিত হয়ে পড়েছে, যা যানজট, দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৫৪০ কোটি টাকার বাজেটে নির্মিত চারটি ফ্লাইওভারের মধ্যে একটিরও কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি, সবচেয়ে বড় শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান চত্বর ফ্লাইওভারের কাজ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে
  • 📌 বিলশিমলা-বন্ধগেট এলাকার ফ্লাইওভার নির্মাণে সিটি বাইপাসের সরাসরি চলাচল বন্ধ, যানবাহনকে ১৪ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়
  • 📌 ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপনের কাজে তালাইমারী-ভদ্রা সড়ক থেকে ছোট বনগ্রাম পর্যন্ত ৩৪ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে গর্ত ও কাদাপানি তৈরি হয়েছে, যানবাহনের গতি কমছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে
  • 📌 গৌরহাঙ্গা এলাকার ফ্লাইওভার নির্মাণে গ্যাস ও বিদ্যুতের লাইন সরানোর কারণে নগর ভবন ও স্টেশন এলাকার কাজ বন্ধ রয়েছে
  • 📌 রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্রাদার তুহিন আলী বলেছেন, রেলগেট ও কলাবাগান পার হওয়ার পথে নির্মাণকাজের কারণে প্রতিদিন ৩০ মিনিট সময় নষ্ট হয়

📰 বিস্তারিত

রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের শেষ দিকে ৫৪০ কোটি টাকার বাজেটে চারটি ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। প্রকল্পগুলোর মূল মেয়াদ ছিল চলতি বছরের জুনে শেষ হওয়া। তবে কোনো একটিরও কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি। তিনটি ফ্লাইওভারের কাজ শেষ করতে ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন সময় চাওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বড় শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান চত্বর ফ্লাইওভারের মেয়াদ ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।

রায়পাড়া রেলক্রসিংয়ের ওপর ফ্লাইওভার নির্মাণের কারণে সড়কটি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়নি। ফলে এই এলাকায় যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথে চলতে হয়। বিলশিমলা-বন্ধগেট এলাকার ফ্লাইওভার নির্মাণের কারণে সিটি বাইপাস দিয়ে সরাসরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে যানবাহনকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার ঘুরে গন্তব্যে যেতে হয়। শহীদ কামারুজ্জামান চত্বরের নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের জন্য নিউমার্কেট পর্যন্ত রাস্তা প্রায় বন্ধ। কলাবাগান এলাকায়ও ফ্লাইওভার নির্মাণের কারণে চলাচলের পথ সরু হয়ে গেছে।

গৌরহাঙ্গা রেলক্রসিংয়ের ওপর নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের প্রকল্প পরিচালক সুবোধ চন্দ্র মিত্র বলেছেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব নির্মাণকাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন তাঁরা।’ বিলশিমলা এলাকার ফ্লাইওভার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান মজিদ সন্সের নির্বাহী পরিচালক জারগিছুর রহমান জানান, ‘তাঁদের প্রকল্পের ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।’

গৌরহাঙ্গা এলাকার ফ্লাইওভারের একাংশের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এসইএলের প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাসেল আলম বলেছেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের লাইন সরানো শেষ না হওয়ায় নগর ভবন ও স্টেশন এলাকার নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। এসব লাইন না সরানো পর্যন্ত সেখানে কাজ করা সম্ভব নয়।’ তবে প্রকল্পের অধীন রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট অংশে নির্মাণকাজ চলছে। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে ওই অংশের কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

ফ্লাইওভার নির্মাণের পাশাপাশি ওয়াসার পাইপলাইন সম্প্রসারণের কাজও ভোগান্তি বাড়িয়েছে। শহরের তালাইমারী-ভদ্রা সড়ক থেকে ছোট বনগ্রাম পর্যন্ত প্রায় ৩৪ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে গর্ত ও কাদাপানি তৈরি হয়েছে। কোথাও মাটি দেবে গেছে, কোথাও জমেছে কাদাপানি। গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে যানবাহনের গতি কমছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। সড়ক কাটার পর দ্রুত সংস্কার না করা এবং ফ্লাইওভারের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় ভোগান্তি দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

"কাজ শুরু হওয়ার পর গতি ঠিকই ছিল। ৫ আগস্টের পর কাজ থমকে যায়। তারপর কাজে কচ্ছপগতি।"

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্রাদার তুহিন আলী বলেছেন, ‘রেলগেট আর কলাবাগান পার হতেই ৩০ মিনিট চলে যায় নির্মাণকাজের কারণে। কয়েক বছর ধরে এই দুর্ভোগ চলছে।’ রাজশাহী রায়পাড়া এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, ‘কাজ শুরু হওয়ার পর গতি ঠিকই ছিল। ৫ আগস্টের পর কাজ থমকে যায়। তারপর কাজে কচ্ছপগতি।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী সিটি করপোরেশন, রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান চত্বর, রায়পাড়া, বিলশিমলা, গৌরহাঙ্গা, তালাইমারী-ভদ্রা সড়ক, বড়বনগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুবোধ চন্দ্র মিত্র (প্রকল্প পরিচালক), জারগিছুর রহমান (নির্বাহী পরিচালক, মজিদ সন্স), রাসেল আলম (প্রকল্প ব্যবস্থাপক, এসইএল), ব্রাদার তুহিন আলী (রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল), হাবিবুর রহমান (রাজশাহী রায়পাড়া বাসিন্দা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪০ কোটি টাকা (বাজেট), ৭৫-৮০ শতাংশ (ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ), ৩০ মিনিট (সময় নষ্ট), ১৪ কিলোমিটার (বিকল্প পথ), ৩৪ কিলোমিটার (সড়ক জুড়ে গর্ত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖