📌 রাজশাহী বাগমারা উপজেলায় ছাত্রদল নেতা নাজমুল হোসেন দাবি করেছেন, স্বেচ্ছাসেবক ও যুবদলের কর্মীরা তার ভাড়া নেওয়া পুকুর দখল করে মাছ চাষে বাধা দিচ্ছে। অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্তরা পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন
রাজশাহী বাগমারা উপজেলায় ছাত্রদল নেতা নাজমুল হোসেনের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক ও যুবদলের কর্মীদের পুকুর দখলের অভিযোগ উঠেছে। নাজমুল হোসেন দাবি করেছেন, তার ভাড়া নেওয়া পুকুরে মাছ চাষে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং নিজের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বিগ্ন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাজমুল হোসেন দাবি করেছেন, ভবানীগঞ্জ পৌরসভার গোয়াবাড়ী এলাকার ৩৮ শতক খাসপুকুরে মাছ চাষে বাধা দেওয়া হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক ও যুবদলের কর্মীদের দ্বারা।
- 📌 অভিযুক্তরা হলেন: ডি এম শাহিন (স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব), শাকিল হোসেন (বাগমারা উপজেলা যুবদলের কার্যকরী কমিটির সদস্য) ও সাইদুর রহমান (উপজেলা যুবদল কর্মী)।
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শুনানিতে পুকুর ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু সাইদুর রহমান পুকুর ছাড়েননি।
- 📌 অভিযুক্তরা দাবি করেছেন, পুকুরটি আগে থেকেই সাইদুর রহমানের দখলে ছিল এবং নাজমুলকে ভয়ভীতি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা।
- 📌 ভবানীগঞ্জ পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব ডি এম শাহিন বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাগমারা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নাজমুল হোসেন বলেন, তিনি উপজেলা ভূমি অফিস থেকে ভাড়া নেওয়া পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। কিন্তু ডি এম শাহিন ও শাকিল হোসেনের অনুসারী সাইদুর রহমান পুকুরে মাছ ছেড়ে দখল করে নেন। নাজমুলকে পুকুর থেকে সরে যেতে বলা হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।
নাজমুলের অভিযোগ, তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর সহকারী কমিশনার (ভূমি) উভয় পক্ষকে শুনানিতে ডেকে পুকুর দখলের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে পুকুর ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। সাইদুর রহমান লিখিতভাবে জানান যে, তিনি আর পুকুরে যাবেন না। কিন্তু তারপরও পুকুরের দখল ছাড়েননি। এছাড়াও, নাজমুলকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার প্রায় পাঁচ মিনিট পর একই স্থানে সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে ডি এম শাহিন, শাকিল হোসেন ও সাইদুর রহমানসহ উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা নাজমুলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুকুরটি আগে থেকেই সাইদুর রহমানের দখলে ছিল। নাজমুলকে ভয়ভীতি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করা হয়।
বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পুকুরটি ‘কসবা একতা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির’ নামে ইজারা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি করা হয়েছিল। সাইদুর রহমান পুকুরটিতে আর যাবেন না বলে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। তবে সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
"পুকুরটি দখলমুক্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। শুনানিতে পুকুর ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও সাইদুর রহমান পুকুর ছাড়েননি। এছাড়াও, আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভবানীগঞ্জ পৌরসভা, গোয়াবাড়ী এলাকা, রাজশাহী বাগমারা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমুল হোসেন (ছাত্রদল নেতা), ডি এম শাহিন, শাকিল হোসেন, সাইদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ শতক পুকুর, ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!