📌 ঢাকার মগবাজারে বসবাসকারী ১০ বছর বয়সী রাজিম স্কুলের ছুটি পূরণ করে রমনা পার্কে পেয়ারা বিক্রি করে দৈনিক ৫০০-৬০০ টাকা আয় করেন। এই টাকার মধ্যে ২০০-৩০০ টাকা মায়ের হাতে তুলে দেন। দুই বছর ধরে এভাবে তিনি পরিবারের অর্থের জোগান দিচ্ছেন
ঢাকার মগবাজার এলাকায় বসবাসকারী ১০ বছর বয়সী রাজিম স্কুলের ছুটি পূরণ করে নিজের আয় করে পরিবারের অর্থের জোগান দিচ্ছেন। এই শিশু দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া নয়াটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। প্রতিদিন সকাল ৭টায় স্কুলে যান এবং দুপুর ১২টায় বাড়ি ফিরে আসেন। এরপর থেকে সন্ধ্যা ৬টার আগপর্যন্ত রমনা পার্ক এলাকায় পেয়ারা ও আমড়া বিক্রি করে দিন কাটান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ বছর বয়সী রাজিম ঢাকার মগবাজারে বাস করেন এবং নয়াটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়েন
- 📌 প্রতিদিন সকাল ৭টায় স্কুলে যান এবং দুপুর ১২টায় বাড়ি ফিরে আসেন
- 📌 দুপুর থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রমনা পার্কে পেয়ারা ও আমড়া বিক্রি করে দৈনিক ৫০০-৬০০ টাকা আয় করেন
- 📌 এই টাকার মধ্যে ২০০-৩০০ টাকা মায়ের হাতে তুলে দেন
- 📌 বাবা-মা তাকে ফল কেটে বিক্রি করার কাজে সহযোগিতা করেন
- 📌 দুই বছর ধরে এভাবে তিনি পরিবারের অর্থের জোগান দিচ্ছেন
- 📌 কাজ শেষে রাতে প্রাইভেট পড়তে যান এবং বড় হয়ে চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন
📰 বিস্তারিত
রাজিমের বয়স মাত্র ১০ বছর, কিন্তু তিনি নিজের দায়িত্ব নিতে পারেন। সকাল ৭টায় স্কুলে যাওয়ার পর দুপুর ১২টায় বাড়ি ফিরে আসেন। এরপর থেকে সন্ধ্যা ৬টার আগপর্যন্ত রমনা পার্কে পেয়ারা ও আমড়া বিক্রি করে দিন কাটান। এই সময়ে তার বাবা-মা তাকে ফল কেটে বিক্রি করার কাজে সহযোগিতা করেন। প্রতিদিনের আয় হয় প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, যার মধ্যে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা মায়ের হাতে তুলে দেন।
দুই বছর ধরে এভাবে রাজিম তার পরিবারের অর্থের জোগান দিচ্ছেন। তিনি বলেন, কাজ শেষে রাতে প্রাইভেট পড়তে যান। খেলাধুলার সুযোগ না পেলেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান। বড় হয়ে তিনি চিকিৎসক বা প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। প্রতিবেদনটি লিখেছেন একজন ১৪ বছর বয়সী প্রতিবেদক।
"রোজ সকাল ৭টায় স্কুলে যায় এবং দুপুর ১২টায় সে বাড়ি ফিরে আসে। এরপর দুপুর থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রমনা পার্ক এলাকায় ফল বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মগবাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজিম (১০ বছর), বাবা-মা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর বয়স, ৭:০০-১২:০০ স্কুলের সময়সূচি, ৫০০-৬০০ টাকা দৈনিক আয়, ২০০-৩০০ টাকা মায়ের হাতে তুলে দেয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!