📌 রাজবাড়ী সদর উপজেলায় নিখোঁজ তিন দিন পর কলেজছাত্র ফুয়াদ হাসান (১৯) এর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, লাশটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। হত্যার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়
রাজবাড়ী সদর উপজেলায় নিখোঁজ তিন দিন পর কলেজছাত্র ফুয়াদ হাসান ওরফে রোহান (১৯) এর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রঘুনাথপুর গ্রামের একটি ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক বিরোধ বা প্রেমঘটিত বিষয় থাকতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজবাড়ী সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের ডোবা থেকে কলেজছাত্র ফুয়াদ হাসান (১৯) এর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 ফুয়াদ হাসান রাজবাড়ী শহরের একটি বেসরকারি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন
- 📌 ফুয়াদের দাদা মরহুম রোকন উদ্দিন চৌধুরী রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন
- 📌 ফুয়াদের লাশটি একটি বস্তার ভেতরে রাখা হয়েছিল এবং আরেকটি বস্তায় মাটি ভরে বেঁধে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল
- 📌 পুলিশ তদন্ত চলছে হত্যার কারণ খুঁজে, মুঠোফোনের তথ্য, পারিবারিক বিরোধ ও বন্ধুদের মধ্যে বিরোধের বিষয় সামনে রেখে
📰 বিস্তারিত
ফুয়াদ হাসান ওরফে রোহান (১৯) রাজবাড়ী সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের ফরহাদ চৌধুরীর ছেলে। তিনি রাজবাড়ী শহরের একটি বেসরকারি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত সোমবার দুপুরে খাওয়ার সময় ফুয়াদের মুঠোফোনে একটি কল আসে। খাবার খেয়ে তিনি দ্রুত বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। বিকেল চারটা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাঁর মুঠোফোনে কল করেন। তবে তাঁর দুটি ফোনই বন্ধ পাওয়া যায়।
আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও পরিচিতদের কাছে খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় পরদিন মঙ্গলবার পরিবারের পক্ষ থেকে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরের একটি ডোবায় স্থানীয় লোকজন একটি বস্তা ভাসতে দেখেন। বস্তা থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সন্দেহ হলে তাঁরা লাঠি দিয়ে বস্তাটিতে ধাক্কা দেন। এ সময় বস্তার ভেতর থেকে মানুষের একটি পা বেরিয়ে আসে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দী লাশটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি ফুয়াদের বলে শনাক্ত করেন।
রাত আটটার দিকে পুলিশ ফুয়াদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মুনির হোসেন বলেন, ফুয়াদের লাশটি একটি বস্তার ভেতরে রাখা হয়েছিল। আরেকটি বস্তায় মাটি ভরে লাশের বস্তার সঙ্গে বেঁধে সেটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। লাশটি ফুলে ওঠার পর বস্তাটি পানিতে ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন সেটি দেখতে পান।
"৫ অক্টোবর থেকে কলেজছাত্র ফুয়াদ নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের পর থেকেই পুলিশ বিভিন্ন বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে। তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনের তথ্য, পারিবারিক বিরোধ, প্রেমঘটিত কোনো বিষয় ছিল কি না এবং বন্ধুদের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনো হত্যার কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী সদর উপজেলা, রঘুনাথপুর গ্রাম, দাদসী ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফুয়াদ হাসান ওরফে রোহান (১৯), মীর মুনির হোসেন (পুলিশ সুপার), ফরহাদ চৌধুরী (ফুয়াদের বাবা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ বছর (ফুয়াদের বয়স), ৫০০ গজ (লাশের ডোবা থেকে দূরত্ব), ৫ অক্টোবর (নিখোঁজের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!