📌 রাজাপুরের নৈকাঠিতে চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ী সজল খন্দকারকে মারধর করে আহত করা হয়। অভিযোগে সন্ত্রাসী মো. সরোয়ার হাওলাদার (৪৫) ও তার সহযোগীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারী রুমা আক্তার জানান, সরোয়ারের বিরুদ্ধে ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে
রাজাপুর উপজেলার নৈকাঠি এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর একটার ঘটনায় রাজাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। আহত ব্যক্তির স্ত্রী রুমা আক্তার বাদী হয়ে এই ঘটনার বিবরণ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজাপুরের নৈকাঠিতে ব্যবসায়ী সজল খন্দকারকে চাঁদা না দেওয়ায় মারধর করে আহত করা হয়।
- 📌 অভিযুক্ত: মো. সরোয়ার হাওলাদার (৪৫), মোঃ জিয়া (৪৫) ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন।
- 📌 হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়, মোবাইল ভাঙে এবং ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত করে।
- 📌 সরোয়ারের বিরুদ্ধে ঢাকা ও দক্ষিণাঞ্চলের ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ডাকাতি, মাদক, খুন ও অপহরণ।
- 📌 রাজাপুর থানার ওসি সুজন বিশ্বাস জানান, আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
রাজাপুরের নৈকাঠি এলাকায় শুক্রবার দুপুর একটার দিকে ব্যবসায়ী সজল খন্দকারকে মারধর করে আহত করা হয়। ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয় বড় বিড়ালজুড়ি এলাকার ওলিউর রহমানের পুত্র মো. সরোয়ার হাওলাদার (৪৫) এবং জয়কুল এলাকার আবুল বাশারের পুত্র মোঃ জিয়া (৪৫)সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে।
রুমা আক্তার, যিনি সজল খন্দকারের স্ত্রী, অভিযোগ করেন যে সরোয়ার প্রায়ই টাকা পয়সা চায় এবং যদি না দেওয়া হয় তাহলে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সাধন করে। শুক্রবার দুপুরে সজল খন্দকার মোটরসাইকেলে কাউখালী থেকে নৈকাঠি যাচ্ছিলেন। নৈকাঠি বড় ব্রীজে পৌঁছানোর পর হামলাকারীরা মোটরসাইকেল থামিয়ে লাথি মেরে তাকে গাড়ি থেকে ফেলে দেয়। এরপর তারা তাকে এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। মোবাইল ফোন ভাঙচুর করে এবং মোটরসাইকেল (বরিশাল মেট্রো ল-১৩-০৩২১, এফজেড ভার্সন-৩) ছিনিয়ে নেয়।
হামলাকারীরা স্থানীয়দের ডাক চিৎকারে এগিয়ে আসার পর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং খুন জখম করাসহ ক্ষতি সাধনের হুমকি দেয়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি করে চিকিৎসা প্রদান করেন।
রুমা আক্তার উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সরোয়ার ঢাকা ও দক্ষিণাঞ্চলের কুখ্যাত সন্ত্রাসী। তিনি আন্তঃজেলা ডাকাত ও অপরাধ চক্রের সাথে জড়িত। ডাকাতি, মাদক, খুন, ধর্ষণ, দস্যুতা, অপহরণসহ নানান অপকর্মে তার বিরুদ্ধে ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে। তিনি শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সাথে চলাফেরা করলেও সরকারী দলের নেতৃবৃন্দের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে।
"সরোয়ারের বিরুদ্ধে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মোট ২০টিরও বেশি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে ডিএমপি রমনা থানার মামলা নং ৮৩, পল্লবী থানার মামলা নং ২০, মিরপুর থানার মামলা নং ২৬ এবং আরও অনেক মামলা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজাপুর উপজেলা, নৈকাঠি এলাকা, ঝালকাঠি জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সরোয়ার হাওলাদার (৪৫), মোঃ জিয়া (৪৫), রুমা আক্তার, সজল খন্দকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০টি+ মামলা, ৪৫ বছর বয়স, ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা সহযোগী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!