📌 নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলায় মিরজাগঞ্জ রেলস্টেশনে ট্রেন যাত্রাবিরতি ও ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালুর দাবিতে ২ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে ৫ ঘণ্টা রেল অবরোধ করা হয়। রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা ২ মাসের সময়সীমা দিতে রাজি হন এবং অবরোধ প্রত্যাহার করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়
নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলায় মিরজাগঞ্জ রেলস্টেশনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত করে ৫ ঘণ্টা অবরোধের পর রেলপথে স্বাভাবিকতা ফিরে আসে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও যাত্রীদের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রেলপথ অবরোধ করে মানববন্ধন গড়ে তোলেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টায় শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে প্রায় ২ হাজার মানুষ অংশ নেন। অবরোধের কারণে খুলনাগামী রকেট মেইল ট্রেন চিলাহাটিতে এবং খুলনা থেকে আসা রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেন ডোমার স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ ঘণ্টা অবরোধ করে মিরজাগঞ্জ রেলস্টেশনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত রাখা হয়; অবরোধের পর স্বাভাবিকতা ফিরে আসে
- 📌 ২ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন গড়ে তোলা হয়; দাবি ছিল ট্রেন যাত্রাবিরতি ও ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালুর
- 📌 রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা ২ মাসের সময়সীমা দিতে রাজি হন; অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়
- 📌 পুলিশ ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আলোচনা হয়; প্রকৌশলী রাকিব হাসান নেতৃত্বে কর্মকর্তারা দাবি মেটানোর আশ্বাস দেন
- 📌 চিলাহাটি ও ডোমার স্টেশনে আটকে থাকা ট্রেনগুলো নিজ নিজ গন্তব্যে ছেড়ে যায় দুপুরের দিকে
📰 বিস্তারিত
মিরজাগঞ্জ রেলস্টেশনে তিতুমীর এক্সপ্রেস ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের আপ-ডাউন যাত্রাবিরতি এবং ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালুর দাবিতে স্থানীয় যাত্রীরা রেলপথ অবরোধ করেন। দীর্ঘদিন ধরে এই দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় স্থানীয় যাত্রীদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। পাশাপাশি ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালু না থাকায় যাত্রীসেবাও ব্যাহত হচ্ছিল। এই দাবিগুলো মেটানোর জন্য আন্দোলনকারীরা ৫ ঘণ্টা রেলপথ অবরোধ করে রাখেন।
আলোচনার সময় পার্বতীপুর রেলওয়ে সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিব হাসান নেতৃত্বে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা দাবিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। রেল কর্তৃপক্ষের এই আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা ২ মাসের সময়সীমা দিতে রাজি হন এবং অবরোধ প্রত্যাহার করেন। অবরোধ প্রত্যাহারের পর দুপুরের দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং আটকে থাকা ট্রেনগুলো নিজ নিজ গন্তব্যে ছেড়ে যায়।
অবরোধের সময় ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ডোমার থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। তারা আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনা করেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করেন।
"দীর্ঘদিন ধরে ট্রেন যাত্রাবিরতি না থাকায় স্থানীয় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পাশাপাশি ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালু না থাকায় যাত্রীসেবাও ব্যাহত হচ্ছে। এই দাবিগুলো মেটানোর জন্য আমরা অবরোধে নামেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরজাগঞ্জ রেলস্টেশন, ডোমার উপজেলা, নীলফামারী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাকিব হাসান (পার্বতীপুর রেলওয়ে সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ ঘণ্টা অবরোধ, ২ হাজার অংশগ্রহণকারী, ২ মাসের সময়সীমা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!