📌 পুরান ঢাকার চকবাজারে মনসুর খান প্লাজা মার্কেটের ছয় ও সাততলায় আগুনে সাত থেকে আটটি গুদাম পুড়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি, নেভানোর কাজ চলছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা কাজী নজমুজ্জামান জানান, আগুন নেভাতে প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও আশপাশের মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো গেছে
পুরান ঢাকার চকবাজারে মনসুর খান প্লাজা মার্কেটের ছয় ও সাততলায় আগুনে সাত থেকে আটটি গুদাম পুড়ে গেছে। এই আগুনে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে ছয়তলায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত গুদামগুলোয় ছিল ছাতা, প্রসাধনসামগ্রী, আতরসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল। মঙ্গলবার সকালে আগুনের ঘটনায় ব্রিফিংয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান এই তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পুরান ঢাকার চকবাজারে মনসুর খান প্লাজা মার্কেটের ছয় ও সাততলায় আগুনে সাত থেকে আটটি গুদাম পুড়ে গেছে, ক্ষয়ক্ষতি বেশি ছয়তলায়
- 📌 আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে, কিন্তু মালামাল ঠাসা থাকায় পুরোপুরি নেভাতে সময় লাগছে
- 📌 আগুন নেভানোর কাজে ১০০ থেকে ১৫০ জন কর্মী অংশ নিয়েছেন, পানি স্বল্পতার কারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে
- 📌 গুদামের দরজায় তালা লাগানো ছিল, তালা কেটে ভেতরে ঢুকে আগুন নেভাতে হয়েছে
- 📌 আগুন নেভানোর কাজে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ করছে, এখনো পুরোপুরি নেভানোর কাজ শেষ হয়নি
- 📌 আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত নয়, তদন্তের পর জানা যাবে
- 📌 আগুনে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
📰 বিস্তারিত
মনসুর খান প্লাজার ছয়তলায় ১২ থেকে ১৪টি বড় গুদাম রয়েছে। এর মধ্যে সাত থেকে আটটিতে আগুন লেগেছে। অন্য গুদামগুলোয় সরাসরি আগুন না লাগলেও পানি দেওয়ায় মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাততলায় তুলনামূলকভাবে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে। কাজী নজমুজ্জামান জানান, আগুন লাগার পর ব্যবসায়ীরা অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় সফল হননি।
আগুন নেভানোর কাজে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা উল্লেখ করে কাজী নজমুজ্জামান বলেন, গুদামগুলোর দরজায় তালা লাগানো ছিল। কোনো কোনো দোকানে তিন থেকে চারটি তালার পাশাপাশি কলাপসিবল গেট ছিল। তালা কেটে ভেতরে ঢুকে আগুন নেভাতে হয়েছে। এ ছাড়া সরু রাস্তার কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশে সমস্যা হয়েছিল। পানি স্বল্পতার কারণে রিজার্ভের পানি বারবার শেষ হয়ে যাচ্ছিল।
আগুন নেভানোর কাজে স্থানীয় দোকানদার ও বাসিন্দারা সহযোগিতা করেছেন। আগুনের তাপ ও ধোঁয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। কাজী নজমুজ্জামান জানান, ভবনের ভেতরে এখন দৃশ্যমান আগুন নেই, তবে ক্ষতিগ্রস্ত মালামাল সরানোর সময় ধোঁয়া বের হচ্ছে। পানি দেওয়া বন্ধ করলে আবার আগুন জ্বলে উঠতে পারে। এ কারণে আগুন পুরোপুরি নেভানোর কাজ এখনো শেষ হয়নি।
"আগুন নেভানোর কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন। গুদামের মালিকেরা ক্ষতির হিসাব জানাতে পারবেন, এ জন্যও সময় লাগবে। আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুন পুরোপুরি নেভানোর পর তদন্ত করা হবে। ভবনটিতে বিদ্যুতের লাইন ছিল, শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে, তবে তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মনসুর খান প্লাজা মার্কেট, চকবাজার, পুরান ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী নজমুজ্জামান (ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭-৮টি গুদাম পুড়ে গেছে, ১০০-১৫০ জন কর্মী অংশ নিয়েছেন, ১২-১৪টি বড় গুদাম ছয়তলায়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!