📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পুরান ঢাকার মনসুর খান প্লাজায় ভয়াবহ আগুনে কোটি টাকার মালামাল নষ্ট, ব্যবসায়ীরা সর্বস্ব হারানোর আতঙ্কে

পুরান ঢাকার মনসুর খান প্লাজায় ভয়াবহ আগুনে কোটি টাকার মালামাল নষ্ট, ব্যবসায়ীরা সর্বস্ব হারানোর আতঙ্কে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পুরান ঢাকার মনসুর খান প্লাজায় সোমবার বিকেলে আগুন লেগে ছয়তলা ভবনের মালামাল পুড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা সর্বস্ব হারানোর আতঙ্কে আছেন, কারণ আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেও ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন না। কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে

পুরান ঢাকার চকবাজারের মনসুর খান প্লাজায় সোমবার বিকেলে ভয়াবহ আগুন লেগে ছয়তলা ভবনের মালামাল পুড়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেও ব্যবসায়ীরা ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন না, ফলে তাদের সর্বস্ব হারানোর আতঙ্কে আছেন। গোডাউনে রাখা ৪০ লাখ টাকার ব্যাগসহ কোটি কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, নিরাপত্তার কারণে আশপাশের দোকানগুলো বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সোমবার বিকেল ৫টায় মনসুর খান প্লাজার ছয়তলায় আগুন লেগে পুড়ে গেছে গোডাউন ও দোকানসমূহ। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেও ভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা।
  • 📌 ৪০ লাখ টাকার ব্যাগসহ রবিন গোডাউনের মালিক মো. রবিনের গোডাউনে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ব্যাগ ছিল। তিনি বলেছেন, ‘সব মালামাল পুড়ে গেলে আমি সর্বস্বান্ত হয়ে যাব’।
  • 📌 ৫০টি গোডাউনে ২০ থেকে ৪০ লাখ টাকার মালামাল রাখা ছিল। আগুন লাগার পর থেকে ব্যবসায়ীরা ভেতরে প্রবেশ করতে পারছেন না।
  • 📌 ফায়ার সার্ভিসের দেরি ও অপ্রতুল সরঞ্জামের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দেরি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ‘সকালে মালিক, বিকেলে ফকির’ অবস্থায় পড়েছেন।
  • 📌 ১০ থেকে ১৫টি ভবন বন্ধ রাখা হয়েছে নিরাপত্তার কারণে। দোকান বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

📰 বিস্তারিত

সোমবার বিকেল ৫টায় মনসুর খান প্লাজার একটি নিচতলার দোকানের কর্মচারীর কাছ থেকে আগুন লাগার খবর পেয়েছিলেন রবিন গোডাউনের মালিক মো. রবিন। তিনি জানান, পাঁচ, ছয় ও সাততলায় কসমেটিকস পণ্য ও ব্যাগের গোডাউন রয়েছে। তাঁদের গোডাউন ছয়তলার ডান পাশে। আগুনও ওই তলায় লেগেছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের গোডাউনে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ব্যাগ ছিল। এখনো ভেতরে যেতে পারছি না। সব মালামাল পুড়ে গেলে আমি সর্বস্বান্ত হয়ে যাব’।

ফায়ার সার্ভিসের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মনসুর খান প্লাজার নিচতলার ব্যাগের দোকানের মালিক মো. ইমতিয়াজ। তিনি বলেন, ‘সোমবার বিকেল ৫টায় আগুন লাগলেও মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ধোঁয়া বের হচ্ছিল। এত দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন’। তিনি দাবি করেছেন, ‘আমাদের এমন অবস্থা হয়েছে, সকালে মালিক, বিকেলে ফকির। এই ভবনে কোটি কোটি টাকার মালামাল রয়েছে। আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাই, উন্নত বিশ্বের মতো দ্রুত আগুন নেভানোর উপযোগী সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হোক’।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়েছিল সংস্থাটি। ১০টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সফল হয়। তবে, তীব্র ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মী। দারোয়ান মো. মজিবুল্লাহ বলেন, ‘ভবনের ভেতরে পানি দেওয়ার পরও আগুন জ্বলছিল এবং ধোঁয়া বের হচ্ছিল’।

"আমাদের গোডাউনে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ব্যাগ ছিল। এখনো ভেতরে যেতে পারছি না। সব মালামাল পুড়ে গেলে আমি সর্বস্বান্ত হয়ে যাব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মনসুর খান প্লাজা, পুরান ঢাকা, চকবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রবিন (গোডাউন মালিক), মো. ইমতিয়াজ (ব্যাগের দোকান মালিক), মো. মজিবুল্লাহ (দারোয়ান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ লাখ টাকা (ব্যাগ), ৫০টি গোডাউন, ২০-৪০ লাখ টাকা (প্রতি গোডাউনে মালামাল), ১০ ইউনিট ফায়ার সার্ভিস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖