📌 পটুয়াখালী থেকে রাজশাহী যাত্রায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে রুবিনা আক্তারের স্বামী শহিদুল ইসলাম (৪০) ও মেয়ে তাছফিয়া (৮) নিহত হন। রুবিনা ও ছেলে লাবিব (১০) গুরুতর আহত, কিন্তু রুবিনাকে এখনো মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হয়
পূজার ছুটি কাটাতে পটুয়াখালী থেকে রাজশাহী যাত্রায় বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে রুবিনা আক্তারের পরিবারকে ভয়াবহ আঘাত লাগে। স্বামী শহিদুল ইসলাম (৪০) ও মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮) নিহত হন, আর রুবিনা আক্তার (৩৬) ও ছেলে লাবিব হোসেন (১০) গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। কিন্তু রুবিনাকে এখনো তাঁর স্বামী ও মেয়ের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নাটোর-পাবনা মহাসড়কে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে রুবিনা আক্তারের স্বামী শহিদুল ইসলাম (৪০) ও মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮) নিহত হন
- 📌 রুবিনা আক্তার (৩৬) ও ছেলে লাবিব হোসেন (১০) গুরুতর আহত, কিন্তু রুবিনাকে এখনো মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি
- 📌 দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জন নিহত ও ৩২ জন আহত হন
- 📌 রুবিনা পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার পূবালী ব্যাংকের কর্মকর্তা, স্বামী ব্র্যাক ব্যাংকের ক্রেডিট ম্যানেজার
- 📌 ভগ্নিপতি শহিদুর রহমান (ইস্টার্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা) জানান, পূজার ছুটি কাটাতে রুবিনা রাজশাহীতে যাত্রা করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার ভোরে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। রুবিনা আক্তার পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পূবালী ব্যাংকের সুবিদখালি শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। স্বামী শহিদুল ইসলাম ব্র্যাক ব্যাংকের মাগুরা শাখার ক্রেডিট ম্যানেজার ছিলেন। দুর্ঘটনায় শহিদুল (৪০) ও তাঁদের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮) মারা যান। তাছফিয়া তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ছেলে লাবিব পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তেন।
পথেই থেমে গেল রুবিনার ভগ্নিপতি শহিদুর রহমানের যাত্রা। তিনি রাজশাহীর পাঠানপাড়া এলাকায় থাকেন এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা। তিনি জানান, পূজার ছুটি কাটাতে সন্তানদের নিয়ে পটুয়াখালী থেকে রওনা হন রুবিনা। পথে একই বাসে ওঠেন তাঁর স্বামী। তাঁদের রাজশাহীতে পৌঁছানোর কথা ছিল। দেরি হওয়ায় খোঁজ নিতে গিয়ে তিনি দুর্ঘটনার খবর জানতে পারেন। আজ সকাল ১০টার দিকে শহিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমার শ্যালিকা ও ভায়রা ওমরাহ করে এসেছিলেন। তাঁরা দুজনেই ব্যাংকে চাকরি করেন। পূজার ছুটিটা আমাদের বাসায় কাটাতে চেয়েছিলেন। সব পরিকল্পনা ভেস্তে গেল।’
রুবিনা বনপাড়া পাটোয়ারী ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন। এখনো তাঁকে স্বামী শহিদুল ইসলাম ও মেয়ে তাছফিয়া খাতুনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়নি। আজ সকাল সাড়ে আটটার দিকে ক্লিনিকে দেখা যায়, শয্যায় ব্যথায় কাতরাচ্ছেন রুবিনা। তিনি বারবার জানতে চাইছেন, স্বামী ও সন্তানেরা কোথায়। ভগ্নিপতি শহিদুর রহমান এখন নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি লাবিবের পাশে আছেন। রুবিনার পাশে আছেন তাঁর স্ত্রী।
"কিছুদিন আগে আমার শ্যালিকা ও ভায়রা ওমরাহ করে এসেছেন। তাঁরা দুজনেই ব্যাংকে চাকরি করেন। পূজার ছুটিটা আমাদের বাসায় কাটাতে চেয়েছিলেন। সব পরিকল্পনা ভেস্তে গেল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাটোর-পাবনা মহাসড়ক, বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র (নাটোর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুবিনা আক্তার (৩৬), শহিদুল ইসলাম (৪০), তাছফিয়া খাতুন (৮), লাবিব হোসেন (১০), শহিদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ জন নিহত, ৩২ জন আহত, পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তা রুবিনা, ব্র্যাক ব্যাংক ক্রেডিট ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!