📌 পটুয়াখালীতে চারজন জমি দাবিদার রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে যা ৩০ বছর ধরে স্থানীয়দের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হত। নারী, শিশু ও বয়স্করা যাতায়াতের সংকটে পড়েছেন। প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা
পটুয়াখালীতে চারজন জমি দাবিদার রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে যা দীর্ঘ ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয়দের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হত। রাস্তার ইট তুলে ফেলায় অর্ধ-শতাধিক পরিবারের সদস্যরা চলাচলের পথ হারিয়েছেন। নারী, শিশু ও বয়স্করা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। স্থানীয়রা দাবি, রশিদ গাজী, জসিম গাজী, সোহাগ গাজী ও শুভ গাজী নামের চারজন ব্যক্তি জমির মালিকানা দাবি করে রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালীতে ৩০ বছরের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে চারজন জমি দাবিদার — রশিদ গাজী, জসিম গাজী, সোহাগ গাজী ও শুভ গাজী
- 📌 অর্ধ-শতাধিক পরিবারের সদস্য — নারী, শিশু ও বয়স্ক — চলাচলের পথ হারিয়েছেন
- 📌 ১৯৯৬ সাল থেকে সালিশের মাধ্যমে রাস্তা ব্যবহারের সুযোগ ছিল, কিন্তু জমি বিক্রির পর থেকে বিরোধ শুরু
- 📌 প্রশাসনের নির্দেশ মেনে রাস্তা উন্মুক্ত করার কথা হলেও তা কার্যকর হয়নি
- 📌 বিএনপি নেতা নুরুল আমীন লিটন গাজী বিষয়টি মীমাংসা করার আশ্বাস দিলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেননি
- 📌 গত ৭ নভেম্বর পুনরায় রাস্তার ইট তুলে চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়
- 📌 সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ঘটনাস্থলে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে
- 📌 বাসিন্দারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত ঐ রাস্তাটি প্রায় তিন দশক আগে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে শতাধিক পরিবারের চলাচলের জন্য ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছিল। তবে জমি বিক্রির পর থেকে রশিদ গাজী, জসিম গাজী, সোহাগ গাজী ও শুভ গাজী নামের চারজন ব্যক্তি জমির মালিকানা দাবি করে রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয়রা দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলাচলের জন্য রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা মানা হয়নি। এর মধ্যে স্থানীয় বিএনপি নেতা নুরুল আমীন লিটন গাজী বিষয়টি মীমাংসা করার আশ্বাস দিলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি।
গত শনিবার (৭ নভেম্বর) পুনরায় রাস্তার ইট তুলে চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিকে, ঘটনাস্থলে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগও উঠেছে। বর্তমানে পরিবারগুলো যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দ্রুত চলাচলের রাস্তা উন্মুক্ত করা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় যোগাযোগ করা হলে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে প্রশাসনের কোনো কার্যকর পদক্ষেপের খবর নেই।
"প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলাচলের জন্য রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তা মানা হয়নি। এখন আমরা চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রশিদ গাজী, জসিম গাজী, সোহাগ গাজী, শুভ গাজী, নুরুল আমীন লিটন গাজী, ভুক্তভোগীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর, ৭ নভেম্বর, অর্ধ-শতাধিক পরিবার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!