📌 পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন ইপিজেডের প্রধান ফটকের পাশে শনিবার রাত ২টায় আব্বাস সিকদার (২৫) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবার দাবি করে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানানো হয়েছে
পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এর প্রধান ফটকের সামনে থেকে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে আব্বাস সিকদার (২৫) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ থাকার দুই দিন পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আব্বাস সিকদার আউলিযাপুর ইউনিয়নের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পূর্বে কলেজে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে কোনো পেশায় যুক্ত ছিলেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিযাপুর ইউনিয়নের ইপিজেড ফটক সংলগ্ন সড়ক থেকে আব্বাস সিকদার (২৫) এর মরদেহ শনিবার রাত ২টায় উদ্ধার করা হয়
- 📌 নিহতের বাবা রফিক সিকদার দাবি করেন, তিনি এলাকায় মেম্বার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ফেসবুক প্রচারণার পর থেকেই শত্রুতা বেড়ে যায়
- 📌 শাহজালালকে মুঠোফোনে জানানো হয় যে, ইপিজেড ফটকের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়েছেন, পরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়
- 📌 পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে
- 📌 পরিবার দাবি করে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড
📰 বিস্তারিত
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত ২টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিযাপুর ইউনিয়নের ইপিজেড ফটক সংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে আব্বাস সিকদারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আব্বাস সিকদার আউলিযাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পূর্বে কলেজে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে কোনো পেশায় যুক্ত ছিলেন না।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্বাসের মৃত্যুর পূর্বে এলাকায় একটি মারামারির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার পর থেকে তিনি দুই দিন ধরে বাড়িতে ছিলেন না। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক আব্বাসের চাচা শাহজালালকে মুঠোফোনে জানান যে, ইপিজেডের প্রধান ফটকের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়েছেন। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আব্বাসকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের বাবা রফিক সিকদার অভিযোগ করেন, তিনি এলাকায় মেম্বার পদে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ফেসবুকে প্রচারণার পোস্টার দেওয়ার পর থেকেই একটি মহলের সাথে শত্রুতা বেড়ে যায়। সেই পূর্ববিরোধের জেরে আব্বাসের সাথে তাদের দ্বন্দ্ব চলছিল। তিনি দাবি করেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয়দের ধারণা, মারধরের শিকার হয়ে আব্বাসের মৃত্যু হতে পারে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানানো হয়েছে। পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’
"আমি এলাকায় মেম্বার পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ফেসবুকে প্রচারণার পোস্টার দেওয়ার পর থেকেই একটি মহলের সাথে শত্রুতা বেড়ে যায়। সেই পূর্ববিরোধের জেরে আব্বাসের সাথেও তাদের দ্বন্দ্ব চলছিল। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী সদর উপজেলা, আউলিযাপুর ইউনিয়ন, ইপিজেড ফটক সংলগ্ন মহাসড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্বাস সিকদার (২৫), মো. রফিক সিকদার (বাবা), মো. মনিরুজ্জামান (ওসি), শাহজালাল (চাচা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (আব্বাসের বয়স), ২ নম্বর ওয়ার্ড, ২ দিন (নিখোঁজ থাকা সময়), ২ টা (রাতের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!