📌 পটুয়াখালীতে এক কলেজ ছাত্রকে নির্যাতন ও লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা মো. সাইফুর রহমান সাকিবকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মনিরুলের অভিযোগে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে
পটুয়াখালীতে এক কলেজ ছাত্রকে রাতভর নির্যাতন ও এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা মো. সাইফুর রহমান সাকিবকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পটুয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মনিরুলের অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মনিরুলকে রাতভর নির্যাতন ও মোবাইল চুরির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা সাকিব মাদবর বহিষ্কার করা হয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগী মনিরুলের দাবি, তাকে মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের বসাক বাজার থেকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয় এবং এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়
- 📌 সাকিব মাদবর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, মনিরকে কোনো মারধর করা হয়নি এবং তার কাছ থেকে কোনো মোবাইল বা টাকা নেওয়া হয়নি
- 📌 পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ পাওয়ার পর হাসপাতাল ও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মনিরুলের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা মো. সাইফুর রহমান সাকিবকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সাকিবকে বহিষ্কার করা হয়েছে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
মনিরুলের অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের বসাক বাজার এলাকায় তাকে তুলে নিয়ে একটি নির্জন স্থানে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং তার ব্যবহৃত Samsung S25 Ultra মোবাইল ফোনটি নিয়ে নেওয়া হয়। পরে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে সাকিব মাদবর বলেছেন, ‘আমরা মনিরকে কোনো মারধর করিনি। গভীর রাতে মনির আমাদের এলাকার এক প্রতিবেশীর মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে। তার কাছ থেকে কোনো মোবাইল বা টাকা নেওয়া হয়নি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।’
"আমরা মনিরকে কোনো মারধর করিনি। গভীর রাতে মনির আমাদের এলাকার এক প্রতিবেশীর মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করে। তার কাছ থেকে কোনো মোবাইল বা টাকা নেওয়া হয়নি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী সদর উপজেলা, মাদারবুনিয়া ইউনিয়ন, বসাক বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাইফুর রহমান সাকিব (বহিষ্কৃত নেতা), মনিরুল (ভুক্তভোগী), ওসি মো. মনিরুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ টাকা (মুক্তিপণ), ৪ অক্টোবর (অভিযোগের তারিখ), ৬ অক্টোবর (বহিষ্কার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!