📌 গাজীপুরের বংশাল থানা দাবি করেছে, শিশু জিসানের উদ্ধার ঘটনায় প্রকাশিত পুলিশের অসহযোগিতা সম্পর্কিত সংবাদ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। পুলিশের তদন্তে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয় এবং প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ চলছে
গাজীপুরের বংশাল থানা দাবি করেছে যে, শিশু জিসানের উদ্ধার ঘটনায় প্রকাশিত ‘পুলিশের অসহযোগিতা’ সম্পর্কিত সংবাদ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বংশাল থানা ও শ্রীপুর থানার যৌথ প্রচেষ্টায় ১১ বছর বয়সী শিশু জিসানকে উদ্ধার করা হয় এবং তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জিসানের উদ্ধার: বংশাল ও শ্রীপুর থানার যৌথ তদন্তে ২৭ সেপ্টেম্বর শিশু জিসানকে উদ্ধার করা হয়।
- 📌 অসহযোগিতা মিথ্যা: পুলিশের বিরুদ্ধে প্রকাশিত ‘অসহযোগিতার অভিযোগ’ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বংশাল থানা।
- 📌 প্রতারক চক্রের টাকা: জিসানের বাবার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ চলছে।
- 📌 সিসিটিভি বিশ্লেষণ: এসআই রাশেদুল ইসলাম সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রতারক চক্রের বিকাশ নম্বর ধরে অনুসন্ধান চালান।
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের বংশাল থানাধীন সাতরওজা খাজে নেহাল জামে মসজিদের মাদরাসা থেকে ২১ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১১ বছর বয়সী শিশু জিসান। জিসান নিজেই আত্মগোপনে চলে যান সহপাঠীর মোবাইল ফোন ও টাকা সরানোর অভিযোগে ধরা পড়ার ভয়ে। প্রথমে লঞ্চযোগে চাঁদপুরে যান এবং পরবর্তীতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের এক গ্যারেজ মেকানিকের সহায়তায় সেখানে অবস্থান করছিলেন।
জিসানের নিখোঁজ হওয়ার তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে একটি প্রতারক চক্র শিশুটির বাবার কাছে ইমো অ্যাপের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। চক্রটি জিসানকে অপহরণ করা হয়েছে বলে মিথ্যা দাবি জানিয়ে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। জিডি হওয়ার পর থেকেই তদন্তকারী কর্মকর্তা বংশাল থানার এসআই রাশেদুল ইসলাম তৎপর ভূমিকা পালন করেন। তিনি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করেন এবং প্রতারক চক্রের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বরের সূত্র ধরে শ্রীপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অনুসন্ধান চালান।
২৭ সেপ্টেম্বর, জিসানের খালার মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে এসআই রাশেদুল ইসলাম গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে অভিভাবকের জিম্মায় বুঝিয়ে দেন। বংশাল থানা জানায়, বিভ্রান্তিকর সংবাদটিতে পুলিশের অসহযোগিতার যে দাবি করা হয়েছিল তা সত্য নয়। পুলিশ শুরু থেকেই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করেছে।
"মুক্তিপণ দেওয়ার পরও শিশুকে ছাড়েনি অপহরণকারীরা, পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বংশাল, গাজীপুর; শ্রীপুর, গাজীপুর; সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা; কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এসআই রাশেদুল ইসলাম, শিশু জিসান, জিসানের বাবা, প্রতারক চক্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর বয়স, ২১ সেপ্টেম্বর, ২৭ সেপ্টেম্বর, ৫০ হাজার টাকা, ১০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!