📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পিরোজপুরে নদী দুর্ঘটনায় বাবার চোখে মেয়ের মৃত্যু, মায়ের সন্ধান মিলেনি

পিরোজপুরে নদী দুর্ঘটনায় বাবার চোখে মেয়ের মৃত্যু, মায়ের সন্ধান মিলেনি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় কালীগঙ্গা নদীতে ট্রলার দুর্ঘটনায় ১৩ বছর বয়সী মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার হলেও তার মা রিনা ব্যাপারী (৩৮) এখনও নিখোঁজ। বাবা শংকর ব্যাপারী দুর্ঘটনায় বেঁচে গেলেও শোকাহত হয়ে পড়েছেন। দুর্ঘটনায় ছয়টি মোটরসাইকেলও নদীতে ডুবে গেছে

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় কালীগঙ্গা নদীতে ট্রলার দুর্ঘটনায় ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হলেও তার মা রিনা ব্যাপারী (৩৮) এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। বাবা শংকর ব্যাপারী দুর্ঘটনায় বেঁচে গেলেও শোকাহত হয়ে পড়েছেন। ঘটনায় ছয়টি মোটরসাইকেলও নদীতে ডুবে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৩ বছর বয়সী মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার হলেও তার মা রিনা ব্যাপারী (৩৮) এখনও নিখোঁজ
  • 📌 বাবা শংকর ব্যাপারী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও স্ত্রী ও মেয়ে হারান
  • 📌 দুর্ঘটনায় ছয়টি মোটরসাইকেল নদীতে ডুবে গেছে
  • 📌 ঘটনাস্থল: শ্রীরামকাঠি খেয়াঘাট, নাজিরপুর উপজেলা, ঘটনার সময়: ১৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টা
  • 📌 ট্রলারে ৮০ জনের বেশি যাত্রী ছিল

📰 বিস্তারিত

১৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠি খেয়াঘাট এলাকায় কালীগঙ্গা নদীতে ট্রলার দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেছারাবাদের ভরতকাঠি খেয়াঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার সময় ট্রলারটি উল্টে ডুবে যায়। ট্রলারটি পরিচালনা করছিলেন সাইদুল নামের এক ব্যক্তি। ট্রলারে ৮০ জনের বেশি যাত্রী ও ছয়টি মোটরসাইকেল ছিল। দুর্ঘটনায় যাত্রীরা নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে অনেকে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও শংকর ব্যাপারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দুর্ভাগ্যবশত হারিয়ে যান।

শংকর ব্যাপারী জানান, তাঁরা পূজা দেখে বাড়ি ফেরার পথে ট্রলারে উঠেছিলেন। হঠাৎ ট্রলারটি ডুবে গেলে তিনি অন্য যাত্রীদের সঙ্গে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। তবে তাঁর স্ত্রী রিনা ব্যাপারী ও মেয়ে আর্দ্রিতা পানিতে তলিয়ে যান। পরে উদ্ধার অভিযানে ১৩ বছর বয়সী মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করা হলেও মায়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নেছারাবাদ উপজেলার ইউপি সদস্য মো. ফোরকান গাজী জানান, রিনা ব্যাপারী ও তাঁর মেয়ে ভরতকাঠি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা বিকেলে শ্রীরামকাঠিতে পূজা দেখতে গিয়েছিলেন। রাতে বাড়ি ফেরার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হন। তিনি বলেন, ওই ঘাটে দিনে ১০ থেকে ১২টি খেয়া ট্রলার চলাচল করে। রাত ৮টার পর ঘাটে সাধারণত একটি ট্রলার থাকে। পূজার সময় বিবেচনায় রাতে ঘাটে আরও বেশি ট্রলারের ব্যবস্থা রাখা উচিত ছিল।

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, অতিরিক্ত যাত্রী ও মোটরসাইকেল বোঝাইয়ের কারণে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাটি নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠি এলাকায় ঘটেছে। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রিনা ব্যাপারীকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয়দের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

"পূজার সময় বিবেচনায় রাতে ঘাটে আরও বেশি ট্রলারের ব্যবস্থা রাখা উচিত ছিল।"
"অতিরিক্ত যাত্রী ও মোটরসাইকেল বোঝাইয়ের কারণে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার কথা শুনেছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শ্রীরামকাঠি খেয়াঘাট, নাজিরপুর উপজেলা, পিরোজপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শংকর ব্যাপারী (বাবা), রিনা ব্যাপারী (মা, ৩৮), আর্দ্রিতা (মেয়ে, ১৩), মো. ফোরকান গাজী (ইউপি সদস্য), মেহেদী হাসান (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ জন+ যাত্রী, ৬টি মোটরসাইকেল, ১৩ বছর বয়সী মেয়ে, ৩৮ বছর বয়সী মা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖