📌 রংপুরের পীরগঞ্জে জমি মালিকানা বিরোধে মন্দির ও স্কুলের ভাঙচুর ঘটে। শতাধিক ভাড়াটে লোক মন্দিরের প্রতিমা ভাঙে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এলাকাবাসীরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছে। পুলিশ তদন্তের কথা বলেছে
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় জমি মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে মন্দির ও স্কুলের ভাঙচুর ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে মিঠিপুর ইউনিয়নের মিঠিপুর দাশপাড়া এলাকায় শতাধিক ভাড়াটে লোক মন্দিরসহ অন্যান্য স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়। এই ঘটনায় এলাকাবাসীরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছে এবং পুলিশ তদন্তের কথা বলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিঠিপুর দাশপাড়া এলাকায় জমি মালিকানা বিরোধে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর ও স্কুলের স্থাপনা ভেঙে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
- 📌 সন্তোষ চন্দ্র দাশ, সাধন চন্দ্র দাশ ও সরণ চন্দ্র দাশসহ শতাধিক ভাড়াটে লোক মন্দিরে ভাঙচুর চালায়।
- 📌 ভুক্তভোগী শংকর চন্দ্র দাশ অভিযোগ করেন, তিনি মন্দিরের নামে জমি লিখে দিয়েছেন, কিন্তু অভিযুক্তরা জমি দাবি করে ভাঙচুর করেছে।
- 📌 পুলিশ ৯৯৯ নম্বরে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তের কথা বলেছে।
- 📌 মনোয়ার হোসেন মণ্ডল জীমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে, যিনি আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের উপজেলা শাখার সহসভাপতি।
📰 বিস্তারিত
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মিঠিপুর ইউনিয়নের মিঠিপুর দাশপাড়া এলাকায় শুক্রবার দুপুরে জমি মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে মন্দির ও স্কুলের ভাঙচুর ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত গৌর চন্দ্র দাশের ছেলে শংকর দাশ ও তাঁর আপন মামা সন্তোষ দাশর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। শুক্রবার দুপুরে সন্তোষ দাশের নেতৃত্বে শতাধিক ভাড়াটে লোক মন্দিরসহ অন্যান্য স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়।
ভুক্তভোগী শংকর চন্দ্র দাশ অভিযোগ করেন, তিনি গতকাল মন্দিরের নামে দুই শতক জমি লিখে দিয়েছেন। কিন্তু অভিযুক্তরা জমি নিজেদের দাবি করে লোকজন নিয়ে এসে মন্দিরের প্রতিমা ও স্কুলের স্থাপনা ভেঙে নিয়ে গেছে। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত সন্তোষ চন্দ্র দাশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তাদের জায়গায় প্রাচীর ও স্কুলের স্থাপনা ছিল, যা তারা ভেঙে দিয়েছে। তবে মন্দির ও প্রতিমা ভাঙেনি।
এই ঘটনায় এলাকাবাসীরা প্রশাসনের কাছে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দা আকালু চন্দ্র দাশ বলেছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে মন্দিরে পূজা করে আসছিল। কিন্তু ভাড়াটিয়া লোকজন মন্দিরে ভাঙচুর করেছে। অন্য এক বাসিন্দা নয়ন চন্দ্র বলেছেন, মন্দির ভাঙচুরের কারণে তাদের পূজা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের উপজেলা শাখার সহসভাপতি মনোয়ার হোসেন মণ্ডল জীমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তিনি দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন।
"আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই মন্দিরে পূজা করে আসছি। কিন্তু হঠাৎ ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে মন্দিরে ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁরা কাজটা ঠিক করেনি।"
"আমি গতকাল মন্দিরের নামে দুই শতক জমি লিখে দিয়েছি। তাঁরা ওই জমি নিজেদের দাবি করে লোকজন নিয়ে এসে ভাঙচুর করেছে। আমাদের মন্দিরের প্রতিমা ও স্কুলের স্থাপনা ভেঙে নিয়ে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিঠিপুর দাশপাড়া, পীরগঞ্জ, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শংকর চন্দ্র দাশ, সন্তোষ চন্দ্র দাশ, মনোয়ার হোসেন মণ্ডল জীম, নজমুল হক (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯৯ (জরুরি সেবা নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!