📌 পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান ফারুককে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান ফারুককে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযোগে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় মহিপুর বাজার থেকে সাদা পোশাক পরিহিত ব্যক্তিরা নিজেদের ডিবি পুলিশ বলে পরিচয় দিয়ে ফারুককে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। পরে তাকে কলাপাড়ার একটি হোটেলের নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মেহেদী হাসান ফারুক (ছাত্রলীগ নেতা) ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর করা হয়, বর্তমানে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় মহিপুর বাজার থেকে ফারুককে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, মারধর করা হয় কলাপাড়ার একটি হোটেলে
- 📌 মাসুদ রানা (ছাত্রদল নেতা) ও ফাহিম (সদস্য সচিব) অভিযুক্ত, তবে তারা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার দাবি অস্বীকার করেছেন
- 📌 মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছে, তদন্ত চলমান
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১টায় ফারুককে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতাল থেকে বরিশালে প্রেরণ করা হয়
📰 বিস্তারিত
মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল জানান, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টায় তার সহযোদ্ধা ফারুককে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১টার দিকে কলাপাড়ার রুবান হোটেলের পাশ থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফাহিম জানান, “মারধরের বিষয়টি আমি জানি। তবে ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।” অন্যদিকে, অভিযুক্ত মাসুদ রানা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওয়াকিটকি হাতে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার দেখা গেছে বলে দাবি করেছেন একাধিক ব্যক্তি।
কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তুষার জানান, “ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজ বিষয়টি দেখেছি। ১৭ সেপ্টেম্বর আমি পারিবারিক কাজে চট্টগ্রামে ছিলাম। তবে ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।” পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, “এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ডিবি পরিচয় ব্যবহারের বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।”
"১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমি জানতে পারলাম, ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ফারুককে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাত ১টার দিকে তাকে কলাপাড়ার রুবান হোটেলের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়।" — রবিউল, মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহিপুর, পটুয়াখালী; মহিপুর বাজার, কলাপাড়া উপজেলা, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেহেদী হাসান ফারুক (ছাত্রলীগ নেতা), রবিউল (সভাপতি), মাসুদ রানা, ফাহিম, তুষার, শামীম হাওলাদার (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ সেপ্টেম্বর, রাত ৮টা, রাত ১টা, ৫০ শয্যা হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!