📅 ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পার্বত্য চট্টগ্রামে অবরোধে গুলিবর্ষণ: পর্যটকদের মৃত্যুর মুখে জীবন বাঁচানোর কাহিনী

পার্বত্য চট্টগ্রামে অবরোধে গুলিবর্ষণ: পর্যটকদের মৃত্যুর মুখে জীবন বাঁচানোর কাহিনী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে অবরোধের কারণে গুলিবর্ষণে আতঙ্কিত হয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর পাহারায় ফিরে আসা ২ হাজার ৯৩৩ পর্যটক। পরিবারের ১৯ সদস্যের সাথে যাওয়া নাঈমের মতো পর্যটকদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে আতঙ্কের কথা জানান

পার্বত্য চট্টগ্রামের সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে অবরোধের কারণে গুলিবর্ষণে আতঙ্কিত হয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর পাহারায় ফিরে আসা পর্যটকদের জীবনযাপনের কাহিনী আজ শুনতে পাওয়া যায়। নিরাপত্তা বাহিনীর পাহারায় খাগড়াছড়ি শহরে ফিরে আসা পর্যটকদের মধ্যে একজন মোহাম্মদ নাঈমের কথায়, ‘সারা রাস্তা আতঙ্কের মধ্যে ছিলাম, মনে হচ্ছে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি’। তিনি জানান, নিজের ১৯ জন পরিবারের সদস্যসহ প্রথমবারের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামে বেড়াতে এসেছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **সাজেক অবরোধে গুলিবর্ষণ**: অবরোধকারীদের বাধায় গাড়ি আটকে পড়ার সময় গুলিবর্ষণে পর্যটকদের আতঙ্কিত হয়ে পড়া।
  • 📌 **১৯ জন পরিবার**: নাঈমের পরিবারের সদস্যরা সাজেক থেকে ফিরে আসার সময় গুলির শব্দ শুনে ভয়ে কান্নাকাটি শুরু করে।
  • 📌 **২ হাজার ৯৩৩ পর্যটক**: অবরোধের প্রথম দিনে ২ হাজার ৯৩৩ পর্যটককে নিরাপত্তা বাহিনীর পাহারায় খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়।
  • 📌 **উজো বাজারে গুলিবর্ষণ**: ফেরার পথে উজো বাজার এলাকায় অবরোধকারীরা গাড়ি চলাচলে বাধা দেন এবং গুলি চালান।
  • 📌 **ইউপিডিএফের দাবি অস্বীকার**: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা গুলি চালিয়েছে, কিন্তু ইউপিডিএফ তা অস্বীকার করেছে।

📰 বিস্তারিত

সাজেক থেকে ফিরে আসা পর্যটকদের মধ্যে একজন মোহাম্মদ নাঈমের কথায়, ‘সারা রাস্তা আতঙ্কের মধ্যে ছিলাম, মনে হচ্ছে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি’। তিনি জানান, নিজের ১৯ জন পরিবারের সদস্যসহ প্রথমবারের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামে বেড়াতে এসেছিলেন। সাজেক থেকে ফেরার পথে অবরোধকারীদের বাধার মুখে পড়ার পর গুলির শব্দ শুনে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

মোহাম্মদ নাঈমের মতো আরেকজন পর্যটক মাইন উদ্দিন বলেন, ‘গাড়ি আটকে দেওয়ার পর আমরা গাড়ির ভেতর বসে ছিলাম। হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পাই। দেখি, মানুষ দৌড়ে এদিক-সেদিক পালিয়ে যাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে আমাদের সঙ্গে থাকা নারীরা কান্না শুরু করে দেন’। তিনি আরও বলেন, ‘দোয়া-দরুদ পড়তে পড়তে দীঘিনালায় পৌঁছেছি। আমরা সেখানে অপেক্ষা করছিলাম আমাদের দলের আরেকটি গাড়ির জন্য। তাঁরা ফেরার পর কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি। এর আগে পুরো সময়টাই আতঙ্কে কেটেছে’।

ঢাকার উত্তরা থেকে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া পর্যটক রাশেদ আহম্মেদের অভিজ্ঞতা ছিলো আরো ভয়ঙ্কর। তিনি বলেন, ‘আমাদের শুক্রবার সকালে ফেরার কথা ছিল। তবে অবরোধের খবর পেয়ে আগেভাগেই সাজেক ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে হয়। গাড়ি আটকে দেওয়ার পর গুলির শব্দ শুনে আমাদের সঙ্গে থাকা শিশুরা ভয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। এর মধ্যে আমাদের গাড়ি লক্ষ্য করে একটি ঢিলও ছোড়া হয়েছিল’। তিনি জানান, ‘আল্লাহকে ডাকতে ডাকতে কোনোমতে সেখান থেকে খাগড়াছড়ি চলে এসেছি। এখনো সেই কথা মনে হলে ভয় লাগে’।

"সারা রাস্তা আতঙ্কের মধ্যে ছিলাম, মনে হচ্ছে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। পুরো সময়টা কীভাবে কেটেছে, তা ভাবলে এখনো ভয় লাগে।"

সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন গত বুধবার বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ চলবে। অবরোধের কারণে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অবরোধের প্রথম দিনে ২ হাজার ৯৩৩ পর্যটককে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাহারায় খাগড়াছড়ি শহরে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়। তবে ফেরার পথে উজো বাজার এলাকায় অবরোধকারীরা গাড়ি চলাচলে বাধা দেন এবং গুলিবর্ষণ ঘটে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা গুলি চালিয়েছে, কিন্তু ইউপিডিএফ তা অস্বীকার করেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাজেক, খাগড়াছড়ি, উজো বাজার, পার্বত্য চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ নাঈম, মাইন উদ্দিন, রাশেদ আহম্মেদ, সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি, সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ জন পরিবার, ২ হাজার ৯৩৩ পর্যটক, ৯৩৩ পর্যটক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖