📌 চট্টগ্রাম বটতলী স্টেশনে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের তিন ঘণ্টার দেরিতে যাত্রা শুরু হয়। ইঞ্জিনসংকট ও সিলেট থেকে আসা ট্রেনের বিলম্বের কারণে যাত্রীদের বিক্ষোভ হয়। স্টেশনমাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, নিয়মিত ইঞ্জিন সংকটের কারণে ট্রেনের সময়সূচী ভেঙে পড়ছে
চট্টগ্রাম বটতলী রেলস্টেশনে আজ বুধবার সকালে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের তিন ঘণ্টার দেরিতে যাত্রা শুরু হয়। ইঞ্জিনসংকট ও সিলেট থেকে আসা ট্রেনের বিলম্বের কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পরে ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে রওনা দেয়। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি ছাড়ে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হাজারো যাত্রী স্টেশনমাস্টার আবু জাফর মজুমদারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন সিলেট থেকে আসা ট্রেনের সাথে সংযুক্ত থাকায় সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের পরিবর্তে ১০টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে
- 📌 প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী স্টেশনমাস্টার আবু জাফর মজুমদারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করে, প্ল্যাটফর্মেও বিক্ষোভের সংবাদ পাওয়া যায়
- 📌 সিলেট থেকে চট্টগ্রামে আসা ট্রেনের বিলম্বের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের যাত্রা তিন ঘণ্টারও বেশি দেরিতে শুরু হয়
- 📌 চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, ইঞ্জিনসংকটের কারণে নিয়মিত ট্রেনের সময়সূচী ভেঙে পড়ছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বটতলী স্টেশনে আজ বুধবার সকালে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে। কিন্তু ইঞ্জিনসংকটের কারণে ট্রেনটি সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ছাড়তে বাধ্য হয়। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সিলেট থেকে আসা একটি ট্রেনের ইঞ্জিনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে আবার সিলেটগামী ট্রেনে সংযুক্ত করা হয়। এ কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের যাত্রা নিয়মিত সময়ের চেয়ে তিন ঘণ্টারও বেশি দেরিতে শুরু হয়।
ক্ষুব্ধ যাত্রীদের বিক্ষোভের শিকার হয় স্টেশনমাস্টার আবু জাফর মজুমদার। প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী স্টেশনমাস্টার আবু জাফর মজুমদারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করে। প্ল্যাটফর্মেও যাত্রীদের বিক্ষোভের সংবাদ পাওয়া যায়। আবু জাফর মজুমদার জানান, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিট। কিন্তু ট্রেনটি প্রায় দুই ঘণ্টার দেরিতে পৌঁছায়। এর ফলে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের যাত্রাও তিন ঘণ্টারও বেশি দেরিতে শুরু হয়।
মাস্টার আবু জাফর মজুমদার আরও জানান, ইঞ্জিনসংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে ইঞ্জিনসংকটের কারণে নিয়মিত ট্রেনের সময়সূচী ভেঙে পড়ছে।
"সিলেট থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিট। ট্রেনটি প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছানোয় চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছাড়তেও বিলম্ব হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বটতলী রেলস্টেশন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু জাফর মজুমদার (চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০-৮০ জন বিক্ষোভকারী যাত্রী, ৩ ঘণ্টার দেরি, ৫০ মিনিটের সময়সূচী পরিবর্তন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!