📌 পদ্মা নদীতে ধরা পড়া ২১ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের পাঙাশ মাছ নিলামে ৪৯ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়। একই বাজারে দুটি বাগাড় মাছ ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার আগে এই বিক্রয় ঘটে
পদ্মা নদীর জালে আটকা পড়া একটি বিশাল পাঙাশ মাছ ৪৯ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গতকাল রাতেই মাছটি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট বাজারে নিলামে ওঠে। একই বাজারে দুটি মহাবিপন্ন বাগাড় মাছও বিক্রি হয় ৪২ হাজার টাকায়। মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার আগে এই দুটি মাছের বিক্রয় ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পদ্মা নদীতে ধরা পড়া ২১ কেজি ৬০০ গ্রাম পাঙাশ মাছ ৪৯ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়
- 📌 দুটি বাগাড় মাছ (১৫ কেজি ও ১৩ কেজি) ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়
- 📌 মাছ বিক্রয় হয় দৌলতদিয়া ঘাট বাজারে নিলামে
- 📌 মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে
- 📌 পাঙাশ মাছ কিনে নেন দৌলতদিয়ার বাসিন্দা চাঁদু মোল্লা
- 📌 বাগাড় মাছ কিনে নেন স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ
📰 বিস্তারিত
গতকাল মধ্যরাত থেকে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার আগে পদ্মার মোহনায় জাল ফেলে মানিকগঞ্জের জাফরগঞ্জ এলাকার জেলে সুরেশ হালদার একটি বিশাল পাঙাশ মাছ ধরে ফেলেন। জালে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি অনুভব করে তারা বুঝতে পারেন যে বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে। জাল টেনে দেখে তারা দেখেন ২১ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের বিশাল পাঙাশ মাছ। গতকাল রাতেই মাছটি দৌলতদিয়া ঘাট বাজারে রেজাউল মণ্ডলের আড়তে আনা হয়।
নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার বাসিন্দা ও মাছ ব্যবসায়ী চাঁদু মোল্লা পাঙাশ মাছটি কিনে নেন। চাঁদু মোল্লা জানান, তিনি রাত ১০টার দিকে নিলামে অংশ নেন। কেজিপ্রতি ২ হাজার ২০০ টাকা দরে মাছটি কেনেন ৪৭ হাজার ৫০০ টাকায়। পরে ঢাকার আশুলিয়ার এক পরিচিত ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা লাভে ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে ৪৯ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি করেন। আজ সকালে ক্রেতার ঠিকানায় মাছটি পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি।
আজ সকালে অন্য মাছের সঙ্গে রেজাউল মণ্ডলের আড়তে ওঠে দুটি বাগাড়ও। নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে প্রায় ১৫ কেজি ও ১৩ কেজি ওজনের মাছ দুটি কেনেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ। তিনি জানান, ১৫ কেজির বাগাড়টি কেজিপ্রতি ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে ২১ হাজার টাকায় এবং ১৩ কেজির বাগাড়টি কেজিপ্রতি ১ হাজার ৩৫০ টাকা দরে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় কেনেন। সকালেই শ্রীলঙ্কাপ্রবাসী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা জহির উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে দরদাম করে মাছ দুটি বিক্রি করেন তিনি। শাহজাহান শেখ ১৫ কেজির বাগাড়টি কেজিপ্রতি ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে ২৪ হাজার টাকায় এবং ১৩ কেজির বাগাড়টি কেজিপ্রতি ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে ১৮ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেন। ক্রেতাদের দেওয়া ঠিকানায় সকালেই মাছ দুটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
"রাত ১০টার দিকে আমি নিলামে অংশ নিই। কেজিপ্রতি ২ হাজার ২০০ টাকা দরে মাছটি কিনে নিই ৪৭ হাজার ৫০০ টাকায়। পরে ঢাকার আশুলিয়ার ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে কেজিপ্রতি ১০০ টাকা লাভে বিক্রি করি ৪৯ হাজার ৬০০ টাকায়"
"১৫ কেজির বাগাড়টি কেজিপ্রতি ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে ২১ হাজার টাকায় এবং ১৩ কেজির বাগাড়টি কেজিপ্রতি ১ হাজার ৩৫০ টাকা দরে কিনে নিই। পরে শ্রীলঙ্কাপ্রবাসী জহির উদ্দিনের সঙ্গে বিক্রি করি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পদ্মা নদী, দৌলতদিয়া ঘাট বাজার (রাজবাড়ী), জাফরগঞ্জ (মানিকগঞ্জ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চাঁদু মোল্লা, শাহজাহান শেখ, জহির উদ্দিন, সুরেশ হালদার, মৎস্যজীবীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ কেজি ৬০০ গ্রাম (পাঙাশ), ৪৯ হাজার ৬০০ টাকা, ৪২ হাজার টাকা, ২২ দিন (নিষেধাজ্ঞা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!