📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি গত দুই দিনে ২০ সেন্টিমিটার কমলেও ভাঙনের আশঙ্কা বাড়ছে। বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও নিচু এলাকায় পানি থেকে যাচ্ছে না। জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী সতর্কতা জানিয়েছেন
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় পদ্মা নদীর পানি গত দুই দিনে প্রায় ২০ সেন্টিমিটার কমলেও নদী ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও নিচু এলাকায় পানি থেকে যাচ্ছে না। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব সতর্কতা জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি গত দুই দিনে ২০ সেন্টিমিটার কমেছে, সকালে উচ্চতা ২১.৫৯ মিটার রেকর্ড করা হয়
- 📌 বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সদর উপজেলার আলাতুলি ও নারায়ণপুর এবং শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, দুর্লভপুর ও উজিরপুর ইউনিয়নের সাড়ে ৪ হাজার পরিবার
- 📌 জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী জানান, বন্যাকবলিত মানুষের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪৪ মেট্রিক টন চাল ও ৫ লাখ টাকা
- 📌 পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে পদ্মায় ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে, তাই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে
- 📌 বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও ত্রাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হলেও পদ্মা নদীর পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের পাঙ্খা গেজ স্টেশনে পদ্মা নদীর পানির উচ্চতা ২১ দশমিক ৫৯ মিটার রেকর্ড করা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে নদীর পানি প্রায় ২০ সেন্টিমিটার কমেছে।
সূত্র জানায়, ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানি এবং ফারাক্কার সব কটি জলকপাট খুলে দেওয়ার পর পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যা দেখা দেয়। বন্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আলাতুলি ও নারায়ণপুর এবং শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, দুর্লভপুর ও উজিরপুর ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি কমে যাওয়ায় এসব এলাকার অনেক বাড়িঘর থেকে পানি নেমে গেছে। তবে নিচু এলাকা, রাস্তা ও কৃষিজমিতে এখনো পানি থাকায় দুর্ভোগ পুরোপুরি কাটেনি।
জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী বলেন, বন্যাকবলিত মানুষের জন্য এখন পর্যন্ত ৪৪ মেট্রিক টন চাল ও ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শুকনো খাবার, খাবার স্যালাইন ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতির ক্রমাগত উন্নতি হচ্ছে। নদ-নদীর পানি আরও কমলে দ্রুতই বন্যাকবলিত মানুষের ভোগান্তি কমে আসবে। তবে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে পদ্মায় ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’
"বন্যা পরিস্থিতির ক্রমাগত উন্নতি হচ্ছে। নদ-নদীর পানি আরও কমলে দ্রুতই বন্যাকবলিত মানুষের ভোগান্তি কমে আসবে। তবে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে পদ্মায় ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা (শিবগঞ্জ উপজেলা, পাঁকা ইউনিয়ন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী, নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ সেন্টিমিটার (পানি কমেছে), ২১.৫৯ মিটার (পানির উচ্চতা), ৪ হাজার (ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার), ৪৪ মেট্রিক টন (চাল), ৫ লাখ টাকা (বরাদ্দ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!