📌 পাবনা জেলার তিন কিশোরী বিটিএসের ভক্তি ও টিকটক আসক্তির কারণে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী তাদের উদ্ধার করেন এবং পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়
পাবনা জেলার একটি গ্রামের তিন কিশোরী বিটিএসের ভক্তি ও টিকটক আসক্তির কারণে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করে। তারা পাবনা থেকে সীমান্ত এলাকায় যাওয়ার পথে পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরী ও ষষ্ঠ শ্রেণির দু’জন বন্ধুর টিকটক ও বিটিএসের ভক্তি তাদের অন্য দেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।
- 📌 তারা পাবনা থেকে বাসে করে নাটোর, রংপুর হয়ে কুড়িগ্রামে পৌঁছান এবং সীমান্ত এলাকায় যাওয়ার লক্ষ্যে পথ হারিয়ে ফেলে।
- 📌 কুড়িগ্রাম বাস টার্মিনালে রাত কাটানোর সময় অপরিচিত মহল্লায় ঢুকে পড়লে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী তাদের উদ্ধার করেন।
- 📌 কুড়িগ্রাম সদর থানার উপপরিদর্শক তাজউদ্দিন আহম্মেদ ও পাবনা সদর থানার সহযোগিতায় তিন কিশোরীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিন কিশোরীর মধ্যে একজন পরিবারের সাথে মনোমালিন্য থাকায় তারা একত্রে দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
📰 বিস্তারিত
পাবনা জেলার একটি গ্রামের তিন কিশোরী বিটিএসের ভক্তি ও টিকটক আসক্তির কারণে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। তারা পাবনা সদর থানার একটি গ্রাম থেকে গতকাল রোববার সকালে স্কুলের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। তাদের লক্ষ্য ছিল ভারতে যাওয়া। প্রথমে তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারত যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু পথে তাদের গতিবিধি দেখে এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী তাদের উদ্ধার করেন।
কিশোরীদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তারা বাসে করে নাটোর, রংপুর হয়ে কুড়িগ্রামে পৌঁছায়। সেখানে তারা পথ হারিয়ে ফেলে এবং সন্ধ্যা নেমে গেলে কুড়িগ্রাম বাস টার্মিনালে পৌঁছায়। রাত কাটানোর জন্য থাকার জায়গা খুঁজতে থাকা সময় তারা অপরিচিত মহল্লায় ঢুকে পড়ে। সেখানে তাদের গতিবিধি দেখে মহল্লায় থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী তাদের সন্দেহ করেন। তিনি কৌশলে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান এবং পুলিশ কর্মকর্তা স্বামী তাজউদ্দিন আহম্মেদকে বিষয়টি জানান।
তাজউদ্দিন আহম্মেদ, কুড়িগ্রাম সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই), জানান যে স্ত্রীর ফোনে বাড়িতে এসে কৌশলে তিন কিশোরীর কাছ থেকে বাড়ির ঠিকানা জেনে নেন। এরপর পাবনা সদর থানায় যোগাযোগ করে কিশোরীদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পাবনা সদর থানার সহযোগিতায় তারা তিন কিশোরীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিন কিশোরীর মধ্যে একজন কিশোরীর সঙ্গে পরিবারের মনোমালিন্য ছিল। এরপর তারা তিনজন মিলে অন্য দেশে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিল এবং পাবনা সদর থানায় তিনটি পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছিল। পুলিশ তাদের সন্ধান শুরু করে এবং কুড়িগ্রাম সদর থানার উপপরিদর্শকের মাধ্যমে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়।
"ওরা ছোট মানুষ, ভুল করেছে। বাচ্চাদের ফিরে পেয়েছি এটাই শুকরিয়া।"
— কিশোরীদের বাবা, অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া কিশোরীর বাবা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা জেলা সদর, কুড়িগ্রাম সদর, নাটোর, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাজউদ্দিন আহম্মেদ (কুড়িগ্রাম সদর থানার উপপরিদর্শক), পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম, তিন কিশোরী (অষ্টম শ্রেণি ও ষষ্ঠ শ্রেণির)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (কিশোরী), ২০১৩ (বিটিএসের আত্মপ্রকাশের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!