📌 পাবনা সদর থেকে সীমান্তে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বের হওয়া তিন স্কুলছাত্রী অপরিচিত এলাকায় পথ হারিয়ে কুড়িগ্রামে পৌঁছায়। এসআইয়ের স্ত্রীর কৌশলে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়
পাবনা সদর থেকে সীমান্তে যাওয়ার অদ্ভুত পরিকল্পনা নিয়ে বের হওয়া তিন স্কুলছাত্রী অপরিচিত এলাকায় পথ হারিয়ে কুড়িগ্রামে পৌঁছায়। তাদের মধ্যে একজন মানসিক চাপের কারণে বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং দু’জন সহপাঠী তার সঙ্গে যোগ দেয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় এসআইয়ের স্ত্রীর কৌশলে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাবনা সদর থেকে বের হওয়া তিন স্কুলছাত্রী (একজন অষ্টম শ্রেণি, দু’জন ষষ্ঠ শ্রেণি) সীমান্তে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে বাসে চড়ে কুড়িগ্রামে পৌঁছায়।
- 📌 একজন ছাত্রী বাড়ি থেকে গচ্ছিত টাকা নিয়ে যাওয়ার কারণে পরিবার তাদের নিখোঁজ হওয়ার কথা জানায়।
- 📌 কুড়িগ্রামে অপরিচিত এলাকায় পথ হারিয়ে তারা কুড়িগ্রাম সদর থানার উপপরিদর্শক তাজ উদ্দিনের পরিবারের নজরে পড়ে।
- 📌 তাজ উদ্দিনের স্ত্রী তাদের বাড়িতে নিয়ে যান এবং পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে পুলিশকে অবহিত করেন।
- 📌 পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের সহযোগিতায় তিনজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
📰 বিস্তারিত
গত রোববার সকাল ১০টায় পাবনা সদর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের তিন স্কুলছাত্রী বাড়ি থেকে বের হয়। তাদের মধ্যে একজন অষ্টম শ্রেণি এবং দু’জন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একজন ছাত্রী কিছুদিন ধরে নিজের চেহারা ও চোখের সমস্যা নিয়ে পরিবারের কিছু কথায় কষ্ট পাচ্ছিলেন। এই বিষয়ে অভিমান ও মানসিক চাপ তৈরি হওয়ায় সে বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে এই পরিকল্পনা দু’জন সহপাঠীরও সঙ্গে শেয়ার করে তারা তাদের সঙ্গে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
তিনজন স্কুলে এসে একত্রিত হয়ে ক্লাসে না গিয়ে অটোরিকশায় পাবনার অনন্ত মোড় ও পরে বাস টার্মিনালে যায়। বাসে চড়ে তারা নাটোর হয়ে রংপুর পেরিয়ে কুড়িগ্রামে পৌঁছায়। সন্ধ্যার আগে কুড়িগ্রাম বাস টার্মিনালে নেমে রাত্রিযাপনের জন্য জায়গা খুঁজতে গিয়ে তারা একটি অপরিচিত মহল্লায় ঢুকে পড়ে। সেখানে কুড়িগ্রাম সদর থানার উপপরিদর্শক তাজ উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের নজরে পড়ে তিন কিশোরী। সন্দেহ হওয়ায় তাজের স্ত্রী তাদের বাড়িতে নিয়ে যান। খাবার ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করার পর কৌশলে পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। পরে তাজ ও তাঁর স্ত্রী কিশোরীদের পরিবারে ও থানায় বিষয়টি জানান।
এদিকে তিন কিশোরী বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা পাবনা সদর থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পাবনা পুলিশের সঙ্গে কুড়িগ্রাম পুলিশের যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়। কুড়িগ্রাম সদর থানা-পুলিশের সহযোগিতায় তিনজনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেছেন, তিন কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের উদ্ধারে পুলিশ তৎপর হয়। কুড়িগ্রাম সদর থানার একজন উপপরিদর্শকের মাধ্যমে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
"এসআইয়ের স্ত্রী তাদের বাড়িতে নিয়ে যান এবং পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে পুলিশকে অবহিত করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা সদর উপজেলা, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাজ উদ্দিন (কুড়িগ্রাম সদর উপপরিদর্শক), তারিকুল ইসলাম (পাবনা সদর ওসি), তিন স্কুলছাত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ জন স্কুলছাত্রী, ১০ টা বাসে চড়ে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!