📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাবনার সাঁথিয়া: মায়ের সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করে সাগর, ‘আমি আর কখনো তাকে দূরে রাখব না’

পাবনার সাঁথিয়া: মায়ের সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করে সাগর, ‘আমি আর কখনো তাকে দূরে রাখব না’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় মা-ছেলে বিরোধের সমাধানে সাগর হোসেন মায়ের সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করেন। আদালত ও ইউএনওর উদ্যোগে মা-ছেলের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় মা-ছেলের বিরোধের দীর্ঘদিনের সংগ্রামের সমাপ্তি ঘটে। মা-ছেলের মধ্যে আবার স্বস্তি ফিরে আসার পথ খুলে দেয় আদালত ও ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগ। সাগর হোসেন মায়ের সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করে বলেন, ‘আমি আর কখনো মাকে একদিনের জন্যও দূরে রাখব না’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাগর হোসেন মায়ের সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করেন এবং বলেন, ‘মাকে একদিনের জন্যও আমার কাছ থেকে দূরে রাখব না’
  • 📌 ৮ অক্টোবর ইউএনও কার্যালয়ে মাকে সঙ্গে রাখতে অস্বীকৃতি জানান সাগর, কিন্তু আদালতের হস্তক্ষেপে সমাধান হয়
  • 📌 ১২ অক্টোবর সাগর মায়ের সঙ্গে সাঁথিয়া ইউএনও কার্যালয়ে হাজির হন এবং মা-ছেলে একে অপরকে মিষ্টিমুখ করেন
  • 📌 মুন্নি খাতুন বলেন, ‘ছেলের প্রতি আমার কোনো রাগ নেই। তিনি আমাকে খুব যত্ন করছেন’
  • 📌 সেলিম আহমেদ (ইউএনও) জানান, ‘আদালতের উদ্যোগে মা-ছেলের বিরোধের সমাধান হয়েছে’

📰 বিস্তারিত

পাবনার সাঁথিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সাগর হোসেনের মা মুন্নি খাতুনের সঙ্গে থাকার বিষয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের সমাধান হয়েছে। সাগর হোসেন মায়ের সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করে বলেন, ‘আমি আর কখনো মাকে একদিনের জন্যও আমার কাছ থেকে দূরে রাখব না’। সাগর হোসেনের মা মুন্নি খাতুনের স্বামী সিরাজুল ইসলাম অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন। দুই সন্তানের মধ্যে মেয়ের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর মুন্নি খাতুন জীবনের শেষ সময়ে ছেলে সাগরের সঙ্গে থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ছেলের বিয়ের পর থেকে পুত্রবধূ ও শাশুড়ির মধ্যে বনিবনা শুরু হয়। একপর্যায়ে সাগর মাকে নিজের সঙ্গে রাখতে অস্বীকৃতি জানান।

৮ অক্টোবর ইউএনও কার্যালয়ে শুনানিতে সাগর মাকে মাসিক খরচ দিতে রাজি হলেও নিজের সঙ্গে রাখতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি এমনকি মাকে সঙ্গে রাখলে আত্মহত্যা করবেন বলে মন্তব্য করেন। শুনানির ঘটনাটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। ইউএনও সেলিম আহমেদ জানান, ৮ অক্টোবরের শুনানিতে তিনি সাগরকে মায়ের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে ১২ অক্টোবর আবার শুনানিতে হাজির হওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল।

গতকাল রোববার পাবনা আদালতের হস্তক্ষেপে মা ও ছেলের বিরোধের সমাধান হয়। আদালতের নির্দেশে মা ও ছেলেকে পুলিশের গাড়িতে করে আদালতে নেওয়া হয়। আদালত দুজনের বক্তব্য শুনে তাঁদের বিরোধের সমাধান করে দেন। পরে মা ও ছেলেকে একসঙ্গে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপরও তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

"আদালত ও ইউএনও স্যারের উদ্যোগে বিষয়টি বুঝব্যার পারিছি। এখন মাকে নিজের কাছে রাখব্যার পাইর্যা খুব ভালো লাগতেছে। সারা জীবন তাঁর দেখাশোনা করব, আর কোনো দিন তাঁকে দূরে সরায়া দেব না।"

আজ সোমবার সাগর হোসেন মায়ের সঙ্গে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘রাগের মাথায় মাকে আমার সাথে না নেওয়ার কথা বলিছিল্যাম। কিন্তু এর পর থেকে অনুশোচনায় তিন দিন ঘুমাব্যার পারিনাই। এখন ভুল বুঝব্যার পারিছি। যত দিন বাঁইচ্যা থাকব, মাকে এক দিনের জন্যও আমার কাছের থ্যা দূরে থাকপ্যার দেব না’। সাগর হোসেনের মা মুন্নি খাতুন বলেন, ‘পাবনার আদালত ছেলেসহ আমাকে গতকাল ডাইক্যা নিয়্যা গেছিল। ছেলে সেখানেই আমার কাছে মাফ চাইছে। ছেলের প্রতি আমার কোনো রাগ-অভিমান নাই। গতকালের থ্যা ছেলের বাসায়ই আছি। ছেলে, ছেলের বউ আমাকে খুব যত্ন করতেছে। আমার ছেলের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই’।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাঁথিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, পাবনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাগর হোসেন, মুন্নি খাতুন, সেলিম আহমেদ (ইউএনও)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর, ১২ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖