📌 পাবনা সদর থানার গৃহবধূ খুশি খাতুনের অন্তঃসত্ত্বা পারসিয়ান বিড়াল লিলি ৩ সেপ্টেম্বর হারিয়ে যায়। মাইকিং, পোস্টার ও লিফলেট বিলি করে খোঁজার পর পুলিশ অভিযানে বিড়ালটিকে উদ্ধার করে মালিকের হাতে তুলে দেয়
পাবনা সদরে এক গৃহবধুর অন্তঃসত্ত্বা পারসিয়ান বিড়াল লিলি হারিয়ে যাওয়ার পর মাইকিং, পোস্টার ও লিফলেট বিলি করে খোঁজার পর পুলিশের সাহায্যে বিড়ালটিকে উদ্ধার করা হয়। বিড়ালটির মালিক পাবনা জেলা সদরের দক্ষিণ রাঘবপুর মহল্লার গৃহবধূ খুশি খাতুন। তিনি বিড়ালটিকে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লিলি নামের অন্তঃসত্ত্বা পারসিয়ান বিড়ালটি ৩ সেপ্টেম্বর পাবনা সদর থানার খুশি খাতুনের বাড়ি থেকে হারিয়ে যায়
- 📌 মালিক ও পরিবার মাইকিং, পোস্টার ও লিফলেট বিলি করে বিড়ালের খোঁজ শুরু করলেও ফলাফল না পেয়ে থানায় অভিযোগ দেন
- 📌 পুলিশ অভিযানে বিড়ালটিকে সিঙ্গা এলাকার একটি বাড়িতে উদ্ধার করে মালিকের হাতে তুলে দেয়
- 📌 বিড়ালটি ফিরে পাওয়ার পর খুশি খাতুন ও পরিবার উচ্ছ্বসিত, পুলিশকে ধন্যবাদ জানান
- 📌 বিড়ালটির বাচ্চা দেওয়ার কথা ছিল আগামী নভেম্বরে
📰 বিস্তারিত
পাবনা সদর থানার দক্ষিণ রাঘবপুর মহল্লার গৃহবধূ খুশি খাতুনের পারসিয়ান বিড়াল লিলি ৩ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে হারিয়ে যায়। বিড়ালটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল এবং পরিবার তাকে খুব যত্নে লালন-পালন করত। বিড়াল হারিয়ে যাওয়ার পর পরিবারের সবাই কান্নায় ডুবে পড়ে। খুশি খাতুনের মেয়ে সাদিয়া করিম বলেন, “লিলি হারানোর পর বাড়িতে হাহাকার চলছিল। সবার মন খারাপ লাগত।”
বিড়ালের খোঁজ শুরু হয় মাইকিং, পোস্টার লাগানো এবং স্থানীয় পত্রিকায় লিফলেট বিলি করে। কিন্তু কিছুতেই বিড়ালটির খোঁজ মিলছিল না। একসময় অজ্ঞাতনামা এক নারী মুঠোফোনে কল করে বিড়ালটির পাওয়ার কথা জানান, কিন্তু বিড়ালটি ফেরত দেবেন না বলে জানান। ঠিকানা জানতে চাইলে ভুল ঠিকানা দিতে থাকেন। উপায় না পেয়ে খুশি খাতুন থানায় অভিযোগ দেন।
পুলিশ অভিযোগের পর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীর মুঠোফোনের অবস্থান শনাক্ত করে। আজ বুধবার সকালে জেলা সদরের সিঙ্গা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিড়ালটি উদ্ধার করা হয়। দুপুরে মালিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। খুশি খাতুন বলেন, “আমি নিজের সন্তানের মতো লিলিকে লালন-পালন করি। পরিবারের সবাই বিড়ালটিকে খুব যত্নে বড় করেছে। আমরা বিড়ালটি ফিরে পেয়ে আনন্দিত। থানা-পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই।”
"আমি নিজের সন্তানের মতো লিলিকে লালন–পালন করি। পরিবারের সবাই বিড়ালটিকে খুব যত্নে বড় করেছে। আমরা বিড়ালটি ফিরে পেয়ে আনন্দিত।"
পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, “বিড়ালের মালিকের অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অজ্ঞাতনামা নারীর মুঠোফোনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে আজ সকালে জেলা সদরের সিঙ্গা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিড়ালটি উদ্ধার করা হয়। পরে দুপুরে মালিকের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিড়ালটি পেয়ে মালিক ও তাঁর পরিবার বেশ খুশি। এতে আমাদেরও ভালো লাগছে।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা সদর থানা, দক্ষিণ রাঘবপুর মহল্লা ও সিঙ্গা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খুশি খাতুন (বিড়ালের মালিক), সাদিয়া করিম (খুশির মেয়ে), তারিকুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ সেপ্টেম্বর (বিড়াল হারানো তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!