📌 পাবনার চাটমোহর উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ১১৪ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে জব্দকৃত সার কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে
পাবনার চাটমোহর উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ১১৪ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে ৮৪ বস্তা টিএসপি ও ৩০ বস্তা এমওপি সার জব্দ করেছে। জব্দকৃত সার কৃষকদের মধ্যে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাটমোহর উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ১১৪ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৮৪ বস্তা টিএসপি ও ৩০ বস্তা এমওপি
- 📌 স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে সার জব্দ করেছে
- 📌 জব্দকৃত সার কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করে ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে
- 📌 কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে সার মজুত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ
- 📌 অভিযানে উপস্থিত ছিলেন চাটমোহর উপজেলা সহকারী কমিশনার ফয়সাল মাহমুদ, কৃষি কর্মকর্তা শোয়েব রহমান ও সাঈদুর রহমান সাঈদ
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১ টায় চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বৃ-রায়নগর কালীবাড়ি এলাকায় ‘মেসার্স চলনবিল এগ্রো এন্টারপ্রাইজ’-এর স্বত্বাধিকারী ও কীটনাশক ব্যবসায়ী মো. মহাসিন আলমের মজুত করা সার নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয়। স্থানীয় কৃষকদের একত্রিত হয়ে সারগুলো আটকে রাখার পর প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ৮৪ বস্তা টিএসপি ও ৩০ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন চাটমোহর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শোয়েব রহমান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান সাঈদ, চাটমোহর থানা পুলিশ এবং হান্ডিয়াল তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব সার মজুত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
চাটমোহর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ বলেছেন, জব্দ করা সার কৃষকদের মধ্যে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। মোট ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় অবৈধভাবে সার মজুত ও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
"জব্দ করা ৮৪ বস্তা টিএসপি ও ৩০ বস্তা এমওপি সার কৃষকদের মধ্যে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে। মোট ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাটমোহর উপজেলা, পাবনা, বৃ-রায়নগর কালীবাড়ি, হান্ডিয়াল ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মহাসিন আলম, ফয়সাল মাহমুদ, শোয়েব রহমান, সাঈদুর রহমান সাঈদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৪ বস্তা সার, ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা, ৮৪ বস্তা টিএসপি, ৩০ বস্তা এমওপি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!