📌 নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সৌদি প্রবাসী নাহিদুল ইসলাম রাকিবের আত্মহত্যার পিছনে ব্ল্যাকমেইল, সম্পত্তি বিরোধ ও পরিবারিক চাপের অভিযোগ তুলেছেন তার স্ত্রী সুলতানা ইসলাম মীম। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেছেন, মাদক ভিডিওর ব্ল্যাকমেইল ও টাকা দাবির কারণে রাকিব মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সৌদি প্রবাসী নাহিদুল ইসলাম রাকিবের আত্মহত্যা ঘটনার পিছনে ব্ল্যাকমেইল, সম্পত্তি বিরোধ ও পরিবারিক চাপের অভিযোগ তুলেছেন তার স্ত্রী সুলতানা ইসলাম মীম। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেছেন, মাদক সেবনের গোপন ভিডিওর ব্ল্যাকমেইল ও টাকা দাবির কারণে রাকিব মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীতে সৌদি প্রবাসী নাহিদুল ইসলাম রাকিবের আত্মহত্যা ঘটনার পিছনে স্ত্রী সুলতানা ইসলাম মীম ব্ল্যাকমেইল ও পরিবারিক বিরোধের অভিযোগ তুলেছেন।
- 📌 রাকিবের মাদক সেবনের ভিডিওর ব্ল্যাকমেইল করে তার দূরসম্পর্কের চাচা শেখ সাহাব উদ্দিন ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন।
- 📌 ১৩ জুলাই রাকিবের স্ত্রী তাকে সন্তানদের নিয়ে দাওয়াতে যেতে বললে, তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার কথা জানিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন।
- 📌 রাকিবের পরিবার তাকে মাদকাসক্ত বলে হেনস্তা করতেন এবং শ্বশুর-শাশুড়ির মৃত্যুর পর তাকে পরিবার থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল।
- 📌 রাকিবের মালিকানাধীন দোকানঘর জোরপূর্বক দখল করা হয় এবং তার মৃত্যুর পর স্ত্রীকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসার পর নাহিদুল ইসলাম রাকিবের জীবনে বিভিন্ন বিরোধের কারণে মানসিক চাপ বেড়ে যাচ্ছিল। তার স্ত্রী সুলতানা ইসলাম মীমের বিবরণ অনুযায়ী, রাকিবের বন্ধুদের সঙ্গে মাদক সেবনের সময় একটি গোপন ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল। এই ভিডিওর ব্ল্যাকমেইল করে তার দূরসম্পর্কের চাচা শেখ সাহাব উদ্দিন তার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেছিলেন। রাকিব ৫০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন।
মীমের কথায়, রাকিবের পরিবার তাকে মাদকাসক্ত বলে হেনস্তা করতেন। শ্বশুর-শাশুড়ির মৃত্যুর পর তাকে পরিবার থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল। বিদেশে যাওয়ার জন্য রাকিব পারিবারিক সম্পত্তির একটি অংশ চাইলে তার চাচা হেলাল উদ্দিন, মোশাররফ, বোন সুইটি আক্তার ও খালা রিনা আক্তারসহ কয়েকজন তাকে মারধর ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন।
রাকিবের মালিকানাধীন ও ভোগদখলে থাকা একটি দোকানঘর তার চাচা হেলাল উদ্দিন জোরপূর্বক দখল করেন। এর প্রতিবাদ করায় রাকিবকে প্রাণনাশ ও মরদেহ গুমের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। রাকিব সৌদি আরবে চলে যাওয়ার পরও পরিবার তাদের ওপর হয়রানি অব্যাহত রাখতেন।
মীমের দাবি, রাকিবের মৃত্যুর পর তার ওপরও হয়রানি অব্যাহত রয়েছে। তার মেয়েকে স্বামীর বসতঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় তার বাবা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
"মাদক সেবনের ভিডিও ধারণ করে আমার স্বামীকে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছিল। ভিডিও দেখিয়ে তার কাছে টাকা দাবি করা হয় এবং তিনি ৫০ হাজার টাকা দেন। এরপর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। এসব ঘটনার প্রকৃত সত্য নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসুক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী জেলা, সোনাইমুড়ী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুলতানা ইসলাম মীম, নাহিদুল ইসলাম রাকিব, শেখ সাহাব উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ৬ জুলাই, ১০ জুলাই, ১৩ জুলাই, ১৮ জুলাই, ২০ দিন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২১ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!