📌 নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে রোকন কর্মকার (৩৩) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি আত্মহত্যা করার সম্ভাবনা রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ভাড়া বাসা থেকে রোকন কর্মকার (৩৩) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেট এলাকার ফাইজা কটেজে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রোকন কর্মকার (৩৩) বেগমগঞ্জ উপজেলার রফিকপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বসুরহাট পৌরসভার হাসপাতাল গেট এলাকায় স্টিলের দোকান পরিচালনা করতেন।
- 📌 মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকায় তিনি একা থাকতেন। গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- 📌 স্থানীয়রা তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
- 📌 আর্থিক সংকটের হতাশা থেকে আত্মহত্যা করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
- 📌 কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ভাড়া বাসা থেকে রোকন কর্মকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বেগমগঞ্জ উপজেলার রফিকপুর গ্রামের শংকর কর্মকারের ছেলে ছিলেন। রোকন কর্মকার বসুরহাট পৌরসভার হাসপাতাল গেট এলাকায় একটি স্টিলের দোকান পরিচালনা করতেন। ঘটনার দিন তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকায় তিনি একা ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোকন কর্মকারের আত্মহত্যার পিছনে আর্থিক সংকটের হতাশা থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
“মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা, বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড, হাসপাতাল গেট এলাকার ফাইজা কটেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোকন কর্মকার (৩৩), উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, স্থানীয়রা, শংকর কর্মকারের ছেলে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ বছর, ২০ অক্টোবর, ৩ টা, ৮ নম্বর ওয়ার্ড, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!