📌 নোয়াখালীর চাটখিলে টাইপিং ভুলে এক গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা থেকে সংশোধিত হয় ১ হাজার ১৮২ টাকায়। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা রাতে গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে সংশোধিত বিল তুলে দেন এবং গ্রাহক তাৎক্ষণিকভাবে বিল পরিশোধ করেন
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় টাইপিং ভুলের কারণে এক আবাসিক গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে অস্বাভাবিক অঙ্কের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং বিল সংশোধন করে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকার বিলকে ১ হাজার ১৮২ টাকায় নিয়ে আসে। রাতে কর্মকর্তারা সরাসরি গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে সংশোধিত বিল তুলে দেন এবং গ্রাহক তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালীর চাটখিলে টাইপিং ভুলে এক গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা থেকে সংশোধিত হয় ১ হাজার ১৮২ টাকায়
- 📌 পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা রাতে গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে সংশোধিত বিল তুলে দেন
- 📌 গ্রাহক শহীদুল ইসলাম (রনি) সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের জন্য
- 📌 সংশ্লিষ্ট মিটারটি প্রয়াত আবু তাহেরের নামে নিবন্ধিত, বর্তমানে তার নাতি শহীদুল ইসলাম ব্যবহার করছেন
- 📌 ঘটনাটি বিদ্যুৎ বিল তৈরির ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই ও নির্ভুলতার গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরে
📰 বিস্তারিত
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামে অবস্থিত এক আবাসিক গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলে টাইপিং ভুলের কারণে অস্বাভাবিক পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং বিল সংশোধন করে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকার বিলকে ১ হাজার ১৮২ টাকায় নিয়ে আসে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জুনায়েদুর রহমান, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রাহাত ও মিটার রিডার জামাল উদ্দিন গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে সংশোধিত বিলের কপি গ্রাহক শহীদুল ইসলাম ওরফে রনির হাতে তুলে দেন। গ্রাহক তাৎক্ষণিকভাবে ১ হাজার ১৮২ টাকা পরিশোধ করেন।
সংশ্লিষ্ট মিটারটি প্রয়াত আবু তাহেরের নামে নিবন্ধিত। বর্তমানে মিটারটি তার নাতি শহীদুল ইসলাম (রনি) ব্যবহার করছেন। সংশোধিত বিল পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে শহীদুল ইসলাম বলেন, “তাদের বিদ্যুৎ বিল তৈরির সময় ভুল হয়েছিল। রাতে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা সরাসরি বাড়িতে এসে সঠিক বিলের কপি দিয়ে গেছেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই বিল পরিশোধ করেছেন। তিনি আরও বলেন, যিনি বিলটি তৈরি করেছেন, তিনি ভুলবশত এমনটি করেছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরায় সাংবাদিকদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চাটখিল আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম জুনায়েদুর রহমান বলেন, “আমি নিজেই রাতে গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে সংশোধিত বিল দিয়ে এসেছি। গ্রাহকও বিলটি পরিশোধ করেছেন। মূলত টাইপিং ভুলের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ঘটনাটি বিদ্যুৎ বিল তৈরির ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করার গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে।
"আমাদের বিদ্যুৎ বিল তৈরির সময় ভুল হয়েছিল। রাতে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা সরাসরি বাড়িতে এসে সঠিক বিলের কপি দিয়ে গেছেন। সাংবাদিকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের জন্য"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা, বদলকোট ইউনিয়ন, হরিকৃষ্ণপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহীদুল ইসলাম (রনি), জুনায়েদুর রহমান (ডিজিএম), রাহাত (এজিএম), জামাল উদ্দিন (মিটার রিডার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা → ১ হাজার ১৮২ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!