📌 নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় শনিবার রাতে মুখোশে লুকিয়ে ২০-২৫ জন দুর্বৃত্ত ব্যবসায়ী মিজানকে গুলি করে। জামায়াতের সমর্থক মিজান আহত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় জামায়াতের আমির মিজানের সাথে আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার সম্ভাবনা উল্লেখ করেছেন
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় শনিবার রাতে মুখোশ পরা সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা একটি ব্যবসায়ীর দোকানে ঢুকে গুলি করে। ঘটনাস্থল জিনু মার্কেটের মিজান স্টোর। গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান (৩৪) আহত হয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা লাভ করার পর ঢাকায় উচ্চতর চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের জিনু মার্কেটে মুখোশ পরা ২০-২৫ জন দুর্বৃত্ত ব্যবসায়ী মিজানকে গুলি করে
- 📌 মিজানুর রহমান (৩৪) পেটের বাঁ পাশে, বাঁ হাত ও বাঁ পায়ের ঊরুতে গুলি লাগে; পরে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়
- 📌 মিজান জামায়াতের সমর্থক; ২০২০ সালে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছিলেন
- 📌 বেগমগঞ্জ জামায়াতের আমির আবু জায়েদ বলেন, মুখোশ পরে থাকায় হামলাকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি
- 📌 পুলিশ হামলার সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজন জড়িত থাকার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে
📰 বিস্তারিত
শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের জিনু মার্কেটের মিজান স্টোরে ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান (৩৪), যিনি ওরফে মিজান নামে পরিচিত, নিজের মুদি দোকানে বেচাকেনা করছিলেন। এ সময় মুখোশ পরা ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দোকানে ঢুকে তার দিকে গুলি করে। গুলিতে তার পেটের বাঁ পাশে, বাঁ হাত ও বাঁ পায়ের ঊরুতে আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
আহত মিজানকে প্রথমে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকায় উচ্চতর চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। মিজান বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব জয়নারায়ণপুর গ্রামের আহাম্মদ উল্যার নতুন বাড়ির আহাম্মদ উল্যাহর ছেলে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. আবু জায়েদ জানান, মিজান জামায়াতের সমর্থক। তিনি বলেন, ‘২০২০ সালে এই ব্যবসায়ীর ওপর নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছিলেন। তখন তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। এবার মুখোশ পরে তার দোকানে ঢুকে তাকে গুলি করা হয়েছে। তবে মুখোশ পরে থাকায় তাৎক্ষণিক কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি। হামলার সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজন জড়িত থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
"মিজান আমাদেরকে ভালো জানে। তিনি জামায়াতের সমর্থক মাত্র। ২০২০ সালেও এই ব্যবসায়ীর ওপর নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছিলেন। এবার মুখোশ পরে তার দোকানে ঢুকে তাকে গুলি করে। তবে মুখোশ পরে থাকায় তাৎক্ষণিক কাউকে চিহ্নিত করা যায়নি। হামলার সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজন জড়িত থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।"
বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, ‘গুলিতে ওই ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলা, জিনু মার্কেট, মিজান স্টোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান (৩৪), মো. আবু জায়েদ (জামায়াত আমির), মো. শামসুজ্জামান (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ (মিজানের বয়স), ২০-২৫ (দুর্বৃত্তের সংখ্যা), ৫০ (বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যা), ২৫০ (নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের শয্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!