📌 নোয়াখালী সদর উপজেলায় পুকুরপাড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় পিটুনির পর ছুরিকাঘাতে নিহত হন কামাল উদ্দিন (৪৫)। পুলিশ তাঁর সাবেক স্ত্রী তানিয়া আক্তার (৩০) ও শাশুড়ি কবরী বেগম (৫০)-কে আটক করেছে। ঘটনায় মোহাম্মদ আকাশ (২২) ও আরেক বাসিন্দা ফোরকানও জড়িত থাকার সন্দেহে অভিযান চলমান
নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের দুর্গানগর গ্রামে পুকুরপাড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় পিটুনির পর ছুরিকাঘাতে নিহত হন কামাল উদ্দিন (৪৫)। পুলিশ তাঁর সাবেক স্ত্রী তানিয়া আক্তার (৩০) ও শাশুড়ি কবরী বেগম (৫০)-কে আটক করেছে। ঘটনায় মোহাম্মদ আকাশ (২২) ও আরেক বাসিন্দা ফোরকানও জড়িত থাকার সন্দেহে অভিযান চলমান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালী সদর উপজেলায় রাত ১২টার দিকে পুকুরপাড়ে পিটুনির পর ছুরিকাঘাতে নিহত হন কামাল উদ্দিন (৪৫)।
- 📌 পুলিশ তাঁর সাবেক স্ত্রী তানিয়া আক্তার (৩০) ও শাশুড়ি কবরী বেগম (৫০)-কে আটক করেছে।
- 📌 ঘটনায় মোহাম্মদ আকাশ (২২) ও আরেক বাসিন্দা ফোরকানও জড়িত থাকার সন্দেহে অভিযান চলমান।
- 📌 নিহত কামাল উদ্দিন সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওহিদুর রহমানের ছেলে।
- 📌 ঘটনাস্থল থেকে ছুরি, রক্তমাখা বালু ও মুঠোফোনসহ আলামত জব্দ করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের দুর্গানগর গ্রাম থেকে কামাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম কামাল উদ্দিন (৪৫)। তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চরমাজীর এরশাদ কলোনির ওহিদুর রহমানের ছেলে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পারিবারিক কলহের জেরে প্রায় চার-পাঁচ বছর আগে কামাল উদ্দিন ও তানিয়া আক্তার (৩০) বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাদের ১১ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের পরও কামাল উদ্দিন সাবেক স্ত্রী তানিয়া আক্তারের বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করতেন। কয়েক দিন ধরে তিনি পূর্ব দুর্গানগর এলাকার একটি মাদ্রাসার বারান্দায় রাত যাপন করছিলেন।
গত শনিবার রাতে তানিয়ার বাবা আমির হোসেন (৬০) ওই মাদ্রাসার মাঠে একা পেয়ে মারধর করেন কামাল উদ্দিন। এই ঘটনায় আমির হোসেনের মাথা ও হাতে গুরুতর জখম হয়। এই ঘটনার পর তানিয়া ও তাঁর ভাই মোহাম্মদ আকাশ (২২) ক্ষুব্ধ হন। গতকাল রাতে আকাশ ঢাকায় কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফেরার পর তিনি, তানিয়া আক্তার ও কবরী বেগম কামাল উদ্দিনকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে রাত ১০টার দিকে একটি পুকুরপাড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় কামাল উদ্দিনকে পেয়ে এলোপাতাড়ি পিটানোর পর ছুরিকাঘাতে নিহত হন তিনি।
সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইদ্রিস প্রথম আলোকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রক্তমাখা বালু, মুঠোফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।
"ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তানিয়া আক্তার ও তাঁর মা কবরী বেগমকে আটক করা হয়েছে। মোহাম্মদ আকাশ, ফোরকানসহ অন্যদের আটক করতে অভিযান চলমান। নিহত কামাল উদ্দিনের পরিবারের অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মো. ইদ্রিস বলেন, "নিহত ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী সদর উপজেলা, নোয়ান্নই ইউনিয়নের দুর্গানগর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামাল উদ্দিন (৪৫), তানিয়া আক্তার (৩০), কবরী বেগম (৫০), মোহাম্মদ আকাশ (২২), ফোরকান, আমির হোসেন (৬০)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, ৭ নম্বর ওয়ার্ড, ১১ বছর বয়সী কন্যা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!