📌 নোয়াখালীর হাতিয়ায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দেওয়া হয়, যার ফলে খামারি মহব্বত হোসেনের ৫ লাখ টাকার মাছ মারা যায়। স্থানীয়রা বিষক্রিয়ায় পুকুর থেকে মাছ তুলে ফেললেও সকালে সব মাছ মরে পচে যায়। বিষয়টি থানায় অভিযোগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দেওয়া হয়, যার ফলে খামারি মহব্বত হোসেনের ৫ লাখ টাকার মাছ মারা যায়। সোমবার সকালে স্থানীয় বিরবিরি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। খামারির মাছের পুকুরে বিষ দেওয়ায় সকাল পর্যন্ত সব মাছ মরে পচে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নোয়াখালীর হাতিয়ায় রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মেরে ফেলা হয় খামারি মহব্বত হোসেনের ২০-২২ মণ মাছ, যার বাজারমূল্য ৫ লাখ টাকা
- 📌 বিষক্রিয়ায় পুকুর থেকে মাছ তুলে ফেলা হলেও রাতে বিষ দেওয়ায় সকালে সব মাছ মরে পচে যায়
- 📌 খামারি মহব্বত হোসেনের ২ বছর আগে বিদেশ থেকে এসে এই খামারটি ভাড়া নিয়ে মাছের চাষ শুরু করা হয়েছিল, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে
- 📌 খামারির মালিক মহব্বত হোসেন জানান, বিষক্রিয়ায় তার সব মাছ মারা গিয়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়
- 📌 বিষয়টি থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে
- 📌 সেন্টার বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, খামারি সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সোমবার সকালে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা সেন্টারবাজার-সংলগ্ন বিরবিরি গ্রামে খামারি মহব্বত হোসেনের খামারে ঘটে এই দুর্ঘটনা। স্থানীয় প্রবাসী নুর হোসেন জানান, মহব্বত দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। দুই বছর আগে বিদেশ থেকে এসে তিনি ধানিয়া মৎস্য খামার নামে এই খামারটি ভাড়া নিয়ে মাছের চাষ শুরু করেন। এনজিও থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়ে এই কাজ শুরু করেছিলেন তিনি।
মহব্বত হোসেন জানান, নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলছে। বেশি দামে বিক্রি করার জন্য অন্যান্য পুকুর থেকে এসব মাছ এনে একটিতে রাখেন। সকালে এসব মাছ ব্যাপারীদের কাছে বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ দেওয়া হয়। খামারির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে জাল টেনে পুকুরে থাকা সকল মাছ তুলে ফেললেও বিষক্রিয়ায় সকাল পর্যন্ত সব মাছ মরে পচে যায়।
খামারির মালিক পূর্ব বিরবিরি গ্রামের বাসিন্দা মহব্বত হোসেন জানান, তার পুকুরে প্রায় ২০-২২ মণ তেলাপিয়া মাছ ছিল। মোটামুটি এসব মাছ বর্তমান বাজারমূল্যে ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা যেত। এখন সবই শেষ হয়ে গেছে। বিষয়টি তিনি থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ করবেন বলে জানান।
সেন্টার বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। সকালে সংবাদ পেয়ে সবাই গিয়ে দেখে এসেছে। খামারি মহব্বত একেবারে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে। আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
"আমি নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলছে। বেশি দামে বিক্রি করার জন্য অন্যান্য পুকুর থেকে এসব মাছ এনে একটিতে রাখলাম। কিন্তু রাতের আঁধারে বিষ দেওয়া হয়। সব মাছ মারা গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী, হাতিয়া উপজেলা, বিরবিরি গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মহব্বত হোসেন (খামারি), আনোয়ার হোসেন (সেন্টার বাজার বণিক সমিতির সভাপতি), নুর হোসেন (প্রবাসী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ লাখ টাকা (ক্ষতি), ২০-২২ মণ (মাছ), ২ বছর (বিদেশ থেকে ফিরে আসা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!