📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীর চাটখিলে ভূতুড়ে বিলে ১ লাখ টাকার ভুল: কর্মকর্তারা দ্রুত সংশোধন করে দেন গ্রাহককে

নোয়াখালীর চাটখিলে ভূতুড়ে বিলে ১ লাখ টাকার ভুল: কর্মকর্তারা দ্রুত সংশোধন করে দেন গ্রাহককে

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর চাটখিলে এক গ্রাহকের নামে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের ভুল সংশোধন করে দ্রুত নতুন বিল দেওয়া হয়। বিলি সহকারী মমতাজ বেগমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে

নোয়াখালীর চাটখিলে এক গ্রাহকের নামে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকার ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের ঘটনা সংশোধন করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং গ্রাহককে সংশোধিত বিল দেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের চাটখিল জোনাল অফিসের গ্রাহকের নামে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকার ভূতুড়ে বিল তৈরি হয়
  • 📌 বিলে ৬ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখানো হলেও গত পাঁচ মাসের গড় ব্যবহার ছিল মাত্র ১৮৭ ইউনিট
  • 📌 বিলি সহকারী মমতাজ বেগমকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে
  • 📌 গ্রাহক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১ হাজার ১৮২ টাকা পরিশোধ করেন
  • 📌 উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আবু তাহেরের নামে বিদ্যুৎ মিটার ব্যবহার করছেন তার নাতি শহীদুল ইসলাম রনি

📰 বিস্তারিত

নোয়াখালীর চাটখিলে এক গ্রাহকের নামে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকার ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের ঘটনা সংশোধন করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর সোমবার রাতেই গ্রাহকের বাড়িতে গিয়ে সংশোধিত বিলের কপি পৌঁছে দেন বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা। বিলে ৬ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখানো হলেও গত পাঁচ মাসের গড় ব্যবহার ছিল মাত্র ১৮৭ ইউনিট। এই অস্বাভাবিক বিলের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করে।

চাটখিল জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জুনায়েদুর রহমান জানান, এটি ভুলবশত ঘটেছে। তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন এবং সংশ্লিষ্ট বিলি সহকারী মমতাজ বেগমকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বিলের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হরিকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আবু তাহেরের নামে থাকা বিদ্যুৎ মিটারটি বর্তমানে ব্যবহার করছেন তার নাতি শহীদুল ইসলাম রনি। সেপ্টেম্বর মাসের বিলে ওই মিটারে ৬ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখানো হলেও, বাস্তবে পরিবারের গড় ব্যবহার ছিল মাত্র ১৮৭ ইউনিট।

"এটি ভুলবশত ঘটেছে। দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সংশোধিত বিল গ্রাহককে দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালী, চাটখিল, বদলকোট ইউনিয়ন, হরিকৃষ্ণপুর গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুনায়েদুর রহমান, মমতাজ বেগম, শহীদুল ইসলাম রনি, আবু তাহের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ১০ হাজার ৪৯৬ টাকা, ৬ হাজার ইউনিট, ১৮৭ ইউনিট, ১ হাজার ১৮২ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖