📌 নীলফামারী সৈয়দপুর পৌরসভার দুটি প্রধান সড়কের সংস্কার প্রকল্পে ধীরগতি ও তদারকির অভাবের কারণে পথচারীদের ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার প্রকল্পে এক বছর পরও মাত্র ৩০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করছে এবং কাজের মান নিশ্চিত করতে তদারকি না হচ্ছে
নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর পৌরসভার প্রধান দুটি সড়কের সংস্কার প্রকল্পে ধীরগতি ও তদারকির অভাবের কারণে পথচারীদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে এক বছর পরও মাত্র ৩০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। পথচারীদের জন্য ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার প্রকল্পে এক বছর পরও মাত্র ৩০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 শেরেবাংলা সড়ক ও শহীদ জহুরুল হক সড়কের সংস্কার কাজে ঢালাই ও কার্পেটিং সম্পন্ন হয়নি
- 📌 ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান 'মেসার্স শাম্মি বিল্ডার্স' তদারকির অভাবের কারণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ
- 📌 পৌর প্রকৌশলী আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, কাজের তদারকি চলছে এবং ঠিকাদারকে সময়সীমা মেনে চলার জন্য তাগাদা দেওয়া হয়েছে
- 📌 ২০২৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল
📰 বিস্তারিত
সৈয়দপুর পৌরসভার শেরেবাংলা সড়ক (তামান্না মোড় থেকে ওয়াপদা মোড়) এবং শহীদ জহুরুল হক সড়ক (বিচালীহাটি মোড় থেকে বসুনিয়া মোড়) সংস্কার প্রকল্পে ধীরগতি ও তদারকির অভাবের কারণে পথচারীদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি সড়কে প্রথমে ৬০০ মিটার আরসিসি ঢালাই এবং বাকি ২ হাজার ৯০০ মিটার অংশে কার্পেটিং করা হবে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ফুটপাত ও সড়কবাতি নির্মাণেরও পরিকল্পনা ছিল।
২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। তবে এক বছর পরও শেরেবাংলা সড়কের ঢালাইয়ের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। জহুরুল হক সড়কে ঢালাইয়ের কাজ গত সপ্তাহে শুরু হয়েছে, কিন্তু কার্পেটিংয়ের কাজ কোনো সড়কেই শুরু করা হয়নি। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. দুলাল বলেছেন, সড়কের কোথাও সামান্য কাজ করে বাকি অংশ ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এতে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং পথচারীদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মতিয়ার রহমান অভিযোগ করেছেন, ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করছেন এবং আরসিসি ঢালাইয়ের পর পানি দিয়ে ভেজানো (কিউরিং) হচ্ছে না। তিনি বলেছেন, পৌর প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
"সরেজমিনে তদন্ত করে সড়ক নির্মাণকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে"
সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছে। তিনি বলেছেন, সরেজমিনে তদন্ত করে সড়ক নির্মাণকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৈয়দপুর পৌরসভা, নীলফামারী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইয়ুব আলী (পৌর প্রকৌশলী), মতিয়ার রহমান (বাসিন্দা), মো. দুলাল (ব্যবসায়ী), ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা (পৌর প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা (মোট ব্যয়), ৬০০ মিটার (আরসিসি ঢালাই), ২ হাজার ৯০০ মিটার (কার্পেটিং), ৩০ শতাংশ (কাজের অগ্রগতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!