📌 নীলফামারীতে ঢাকায় হত্যা করা ১৮ বছর বয়সী রাকিব ইসলামের মরদেহ অভিযুক্ত মামুন নিজ বাড়িতে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ মামুনকে গ্রেফতার করেছে এবং মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহতের পরিবার ঘটনার পেছনের কারণ জানতে চায়
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় একটি ভয়াবহ হত্যা-মরদেহ লুকানোর ঘটনা উন্মোচিত হয়েছে। ঢাকায় রাকিব ইসলাম (১৮) নামে এক যুবককে হত্যা করে তার মরদেহ নিজ বাড়িতে পুঁতে রাখার অভিযোগে অভিযুক্ত মামুন (১৮)কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ মামুনের বসতভিটা খুড়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকায় মেয়েঘটিত বিরোধে ১৬ সেপ্টেম্বর রাকিব ইসলামের হত্যা; মরদেহ ২ দিন পর নিজ বাড়িতে পুঁতে রাখা
- 📌 অভিযুক্ত মামুন এআই দিয়ে জীবিত দেখিয়ে ভিডিও তৈরি করে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি
- 📌 নিহত রাকিবের মামা হাফিজুর রহমান জানান, মেডিকেলে ভর্তি কোচিং করতে যাওয়া মেধাবী ছেলেকে হত্যার কারণ জানা যায়নি
- 📌 ডিমলা থানার ওসি মো. আশরাফুল ইসলাম নিশ্চিত করেন, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে
📰 বিস্তারিত
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বসুনিয়াপাড়া এলাকায় অভিযুক্ত মামুনের বাড়িতে মরদেহ পুঁতে রাখার ঘটনা ঘটেছে। নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুরের খাদেমুল ইসলামের ছেলে। তিনি ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকার কাফরুল থানাধীন শ্যাওড়াপাড়ায় অনার্স ভর্তি কোচিং করতে গিয়ে মামুনের সঙ্গে পরিচিত হন। ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মেয়েঘটিত বিরোধের জেরে রাকিবের হত্যা ঘটে। এরপর মামুন মরদেহ একটি বাক্সে করে ঢাকা থেকে ডিমলায় এনে নিজ বাড়িতে পুঁতে রাখেন।
অভিযুক্ত মামুন এআই ব্যবহার করে নিজেকে জীবিত দেখিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করে এবং নিহতের পরিবারের কাছে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। নিহত যুবকের মামা হাফিজুর রহমান জানান, “আমার ভাগিনা অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। সে মেডিকেলে পড়ার জন্য ঢাকায় কোচিং করতে এসেছিল। এখনো তাকে হত্যার কারণ আমরা জানতে পারিনি। পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে। আমরা চাই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক।”
ডিমলার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ঢাকায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। আমরা ঘটনার পূর্ণ বিচার নিশ্চিত করবো।”
"আমার ভাগিনা অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। সে মেডিকেলে পড়ার জন্য ঢাকায় কোচিং করতে এসেছিল। এখনো তাকে হত্যার কারণ আমরা জানতে পারিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী জেলা, ডিমলা উপজেলা, বালাপাড়া ইউনিয়ন, বসুনিয়াপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মামুন (অভিযুক্ত), রাকিব ইসলাম (নিহত), হাফিজুর রহমান (মামা), মো. আশরাফুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ বছর বয়স (রাকিব ও মামুন), ৬ অক্টোবর, ১৬ সেপ্টেম্বর, ৪ লাখ টাকা, ২ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!