📌 নীলফামারীতে মাদক মামলার আসামি সুজন ইসলামের মুক্তি দাবিতে তার স্বজন ও স্থানীয়রা পুলিশ সুপার অফিসে বিক্ষোভ করে। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আসামির বিরুদ্ধে নীলফামারী ও ঢাকার মাদক মামলা রয়েছে
নীলফামারীতে মাদক মামলার আসামি সুজন ইসলামের মুক্তি দাবিতে তার স্বজন ও স্থানীয়রা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের প্রধান ফটকে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এই হট্টগোলে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে। সুজন ইসলাম (৩৪) ডিমলা উপজেলার খগা খড়িবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব দোহলপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। গত শুক্রবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে সৈয়দপুর শহর থেকে তাঁকে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নীলফামারীতে মাদক আসামির মুক্তি দাবিতে পুলিশ সুপার অফিসে বিক্ষোভ, ২০ জন আটক
- 📌 সুজন ইসলাম (৩৪) ডিমলা উপজেলার বাসিন্দা, তার বিরুদ্ধে নীলফামারী ও ঢাকার মাদক মামলা রয়েছে
- 📌 পুলিশের তথ্য: সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে ২০১৮ ও ২০২১ সালে নীলফামারী সদর ও ঢাকার দারুস সালাম থানায় মাদক মামলা
- 📌 সদর থানার ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের কাজে বাধা দিয়েছিল
- 📌 অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) এবিএম ফয়জুল ইসলাম জানান, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, পরে ২০ জন আটক করা হয়
📰 বিস্তারিত
শনিবার দুপুরে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের প্রধান ফটকে সুজন ইসলামের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। সুজনকে আদালতে নেওয়ার সময় তাঁর স্বজন ও স্থানীয়রা পুলিশের কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ পুলিশের। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরে যেতে বললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করে ২০ জনকে আটক করে সদর থানায় নিয়ে যায়। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, ‘ডিমলা থানা এলাকার একজন আসামি ছিল। তাঁকে আদালতে নেওয়ার সময় কয়েকজন হট্টগোল করে পুলিশের কাজে বাধা দেন। পরে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে ২০ জনকে আটক করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) এবিএম ফয়জুল ইসলাম বলেন, ‘একপর্যায়ে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরে যেতে বললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ তাঁদের ধাওয়া করে কয়েকজনকে আটক করে সদর থানায় নিয়ে যায়।’ অন্যদিকে সুজন ইসলামের স্বজনদের দাবি, তাঁকে মাদক মামলায় অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তাঁরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে সুজন ইসলামের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে নীলফামারী সদর ও ঢাকার দারুস সালাম থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। নথিতে ২০১৮ ও ২০২১ সালে নীলফামারী সদর থানায় এবং ২০২১ সালে ঢাকার দারুস সালাম থানায় করা মামলার তথ্য উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।
"ডিমলা থানা এলাকার একজন আসামি ছিল। তাঁকে আদালতে নেওয়ার সময় কয়েকজন হট্টগোল করে পুলিশের কাজে বাধা দেন। পরে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে ২০ জনকে আটক করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়, ডিমলা উপজেলা, খড়িবাড়ী ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুজন ইসলাম (৩৪), জিল্লুর রহমান (ওসি), এবিএম ফয়জুল ইসলাম (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন আটক, ৩৪ বছর বয়স, ১০টি ককটেল ও ২টি ব্যানার উদ্ধার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!