📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নীলফামারীতে মাদকসেবী যুবক স্বেচ্ছায় থানায় হাজির, ‘জেল দিন আমাকে’ বললেন

নীলফামারীতে মাদকসেবী যুবক স্বেচ্ছায় থানায় হাজির, ‘জেল দিন আমাকে’ বললেন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নীলফামারী সৈয়দপুরে ৩০ বছর বয়সী মাদকসেবী শুকুর আলী স্বেচ্ছায় থানায় হাজির হয়ে বললেন, ‘মাদক আমার জীবন ধ্বংস করেছে, আমাকে জেল দিন’। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে

নীলফামারী সৈয়দপুরে মাদকসেবী যুবক শুকুর আলী (৩০) স্বেচ্ছায় থানায় হাজির হয়ে পুলিশের হাতে নিজেকে তুলে দিয়েছেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, ‘মাদক আমার জীবন ধ্বংস করেছে। আমাকে জেল দিন, গ্রেপ্তার করুন’। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দশ বছর ধরে তিনি মাদক সেবন করছিলেন এবং প্রতিদিন এক হাজার টাকার বেশি খরচ করতেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শুকুর আলী (৩০) নিজ থেকেই সৈয়দপুর থানায় হাজির হয়ে মাদকসেবী হিসেবে নিজেকে তুলে দিয়েছেন
  • 📌 ১০ বছর ধরে মাদক সেবন করছিলেন তিনি, প্রতিদিনের খরচ ছিল এক হাজার টাকার বেশি
  • 📌 ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে, আজ কারাগারে পাঠানো হয়েছে
  • 📌 নবাব আলী বলেছেন, ছেলের নেশার জন্য তিনি সব হারিয়েছেন, সমাজে আর দাম দেয় না কেউ
  • 📌 সৈয়দপুর মাদক নির্মূল কমিটি তাঁর স্বেচ্ছাসেবা প্রশংসা করেছে

📰 বিস্তারিত

সৈয়দপুর নিচু কলোনির বাসিন্দা শুকুর আলী নিজ থেকেই থানায় উপস্থিত হন এবং পুলিশের হাতে নিজেকে তুলে দেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি দশ বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন করছিলেন। প্রতিদিনের খরচ ছিল এক হাজার টাকার বেশি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিনি মাদক সরবরাহ করতেন। শুকুরের বাবা নবাব আলী বলেন, ‘ছেলের নেশার জন্য আমি সব হারিয়েছি। সমাজে এখন দাম দেয় না কেউ’। তিনি আরও বলেন, শুকুরের দুই নাবালক সন্তান লজ্জায় স্কুলে যেতে চায় না। নেশার পথ থেকে স্বামীকে ফেরাতে না পেরে স্ত্রীও বাবার বাড়ি চলে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আবু সরকার বলেন, ‘নেশা করে শুকুরের বেপরোয়া মাতলামির কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন। আমরা বহুবার শুকুরকে বুঝিয়েছি—নেশা ছেড়ে দাও। কিন্তু আমাদের কথা শোনেনি সে’। সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, শুকুর আলী থানায় এসে কান্নাকাটি করে বলছিলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেছে, সমাজে কোনো মর্যাদা নেই’। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। স্বেচ্ছায় থানায় গিয়ে মাদক ছাড়ার চেষ্টার জন্য শুকুর আলীকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সৈয়দপুর মাদক নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক এরশাদ হোসেন পাপ্পু। তিনি বলেন, ‘আমরা মাদক নির্মূলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছি। প্রতিটি ওয়ার্ড-মহল্লায় প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে’।

"মাদক আমার জীবন ধ্বংস করেছে। আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই। আমাকে জেল দিন, গ্রেপ্তার করুন"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সৈয়দপুর, নীলফামারী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শুকুর আলী (৩০), নবাব আলী, মো. আবু সরকার, রেজাউল করিম রেজা, ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা, এরশাদ হোসেন পাপ্পু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর বয়স, ১০ বছর মাদক সেবন, এক মাসের কারাদণ্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖